Counterfeit batches of rabies vaccine circulating in India, warns Australia : ভারতে নকল জলাতঙ্ক টিকা দেওয়া হচ্ছে আক্রান্তদের, সম্প্রতি এমনই এক বিস্ফোরক দাবি করল অস্ট্রেলিয়া!

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক : ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ভারতে নকল জলাতঙ্ক টিকা দেওয়া হচ্ছে আক্রান্তদের, সম্প্রতি এমনই এক বিস্ফোরক দাবি করল অস্ট্রেলিয়া! অস্ট্রেলিয়ান টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন অর্থাৎ ATAGI কর্তৃক জারি করা এই নোটিফিকেশন মূলত যারা পর্যটক এবং স্বাস্থ্যপরিষেবার সঙ্গে যুক্ত তাদের জন্য জারি করা হয়েছে, সকলের উদ্বেগ বাড়িয়ে এতে বলা হয়েছে যে, রি ভ্যাকসিন যাদের দেওয়া হয়েছে জলাতঙ্কের মত এক মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে তারা সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত নাও থাকতে পারেন।

ভয়ানক জলাতঙ্ক
কুকুর, বাদুড়, শিয়াল, বেজি, বানর, বিড়ালের কামড় আঁচড়ের মাধ্যমে ভাইরাস মানব শরীরে প্রবেশ করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ভাইরাস খুব দ্রুত দেহকোষের মধ্যে ছড়িয়ে গিয়ে বংশবিস্তার করতে পারে।
এই রোগ কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে। প্রতি বছর ভারতে ১৮ থেকে ২০ হাজার মানুষ এর ফলে মারা যান
যে রোগ নিঃসন্দেহে প্রাণঘাতী সেই রোগের যে ভ্যাকসিন ভারতে বেশ প্রচলিত সেই ভ্যাকসিনই নাকি বিগত ২ বছর ধরে বাজারে জাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার তরফে এই নোটিস আসার পরে স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তা বেড়েছে। ওই অ্যাডভাইজারিতে বলা হয়েছে-
ভারতে জাল জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন!
২০২৩ সাল থেকে ভারতে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের
জাল ব্যাচ ছড়িয়ে পড়েছে।
নকল ভ্যাকসিন আসল ভ্যাকসিনের প্যাকেজিং, লেবেলিং
উৎপাদনের দিক থেকে একেবারে আলাদা।
যারা এই জাল ভ্যাকসিন নিয়েছেন
তাদের সুরক্ষার জন্য আসল ডোজ নিতে হবে
কিন্তু অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারতে আগত পর্যটকরা যারা ইতিমধ্যেই এই জাল ভ্যাকসিন নিয়ে নিয়েছেন তাদের শরীরে কী কী প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এই ভ্যাকসিন অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায় না। অস্ট্রেলিয়ার তরফে এই অ্যাডভাইজরি জারি হওয়ার পর ভারতে এই অভয়রব ভ্যাকসিনের প্রস্তুতকারক ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে যেভাবে অস্ট্রেলিয়ার তরফে তাদের কোম্পানির ভ্যাকসিনকে জাল বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। তারা তাদের একটি নির্দিষ্ট ব্যাচ যার নাম্বার KA 24014 – এর প্যাকেজিংয়ে একটি অসঙ্গতি শনাক্ত করেছে। এই ব্যাচের ভ্যাকসিন এই মুহূর্তে বাজারে আর বিক্রির জন্য পাওয়া যায় না। তারা আরও জানিয়েছে ২০০০ সাল থেকে তারা এই ভ্যাকসিন প্রস্তুত করছে, ২১০ মিলিয়নের বেশি ডোজ তারা বানিয়েছে। এই একটি ব্যাচের ডোজ জাল হওয়া সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে তারা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।