SC on Unnao rape case : বিজেপি বহিষ্কৃত বিধায়ক কুলদীপ সিং সেঙ্গারের সাজা স্থগিত ও জামিনে মুক্তির নির্দেশ নিয়ে চলতে থাকে সওয়াল জবাব। সমস্তটা শোনার পর মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত।
মাম্পি রায়, সাংবাদিক : এবার হয়তো জেলবন্দি জীবন থেকে মুক্তি মিলবে। উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত কুলদীপ সিং সেঙ্গার সেই আশাতেই বুক বাঁধছিল। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দিল সুপ্রিমকোর্ট। উন্নাও নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডের মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার এই মামলায় দীর্ঘ সওয়াল জবাব চলে শীর্ষ আদালতে। বিজেপি বহিষ্কৃত বিধায়ক কুলদীপ সিং সেঙ্গারের সাজা স্থগিত ও জামিনে মুক্তির নির্দেশ নিয়ে চলতে থাকে সওয়াল জবাব। সমস্তটা শোনার পর মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত। ফলে আপাতত মুক্তি পাচ্ছে না কুলদীপ সিং সেঙ্গার।

গত মঙ্গলবার বিজেপির বহিষ্কৃত নেতা কুলদীপের জামিন মঞ্জুর করেছিল দিল্লি হাইকোর্ট। তার পর জামিনের বিরোধিতা করে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয় সিবিআই।
সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সোমবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “সাধারণত কোনও অভিযুক্ত বা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি জেল থেকে বেরিয়ে গেলে তার জামিন বাতিল করে না আদালত। কিন্তু এক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। এক্ষেত্রে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তি একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত। সেকথা মাথায় রেখেই ২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্টের দেওয়া রায়কে স্থগিত করছে সুপ্রিমকোর্ট। তাই কুলদীপ সিং সেঙ্গারকে এখনই মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না।”
উন্নাও গণধর্ষণকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবজ্জীবন সাজা পাওয়ার পরও দিল্লি হাইকোর্ট কুলদীপের সাজা স্থগিত রেখে তাকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল। এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বহু মানুষ। বাধ্য হয়ে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে বড় আইনজীবীর সাহায্য চান নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তারপরই তারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানেই সেঙ্গারের জামিনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। মামলার পরবর্তী শুনানি জানুয়ারিতে।