তৃণমূল কংগ্রেসকে সেই ফর্ম ৭ জমা দিতে হবে : শমীক ভট্টাচার্য

বিশ্বজিৎ পাল, নিজস্ব সংবাদদাতা : শনিবার পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা থেকে আপাতত ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ গেল। খসড়া তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০জনের। খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম। ফলে সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গেল।
৬০ লক্ষের উপরে নাম বাদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকায়। প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার বিচারাধীন রয়েছে। শনিবার বিকেলে উত্তরবঙ্গ রওনা হওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেশ কিছু বিষয়ে তিনি প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। এসআইআর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শমীক জানান, “দেখুন আমাদের বলার কিছু নেই নো SIR নো ভোট। আমাদের যে ফর্ম ৭ ওটা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেআইনিভাবে ছিনিয়ে যে ফর্ম গুলোকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে ফর্ম জমা দিতে পারেনি ,অবরোধ করেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে সেই ফর্ম ৭ জমা দিতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের যদি কেউ ফর্ম সেভেন জমা দিয়ে থাকে সেটাও জমা নিতে হবে। সেই কাজ এখন অবধি সম্পূর্ণ হয়নি যতক্ষণ পর্যন্ত এই ফর্ম সেভেন এর প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয়ে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের বলার কিছু নেই মানুষের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের আশা করি সেটা তারা করবে। পুরো পশ্চিমবাংলায় SIR প্রক্রিয়া কীভাবে চলছে জ্ঞানেশ কুমারকে সেটা এখানে এসে দেখতে হবে। “
রাজীব কুমারকে রাজ্যসভা ভোটের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা তৃণমূল কংগ্রেসের। এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য জানান, “রাজীব কুমারের প্রজ্ঞা বা মেধা নিয়ে কারোর কোন সন্দেহ নেই। রাজীব কুমার রাজ্যসভায় যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে তাঁকে পাঠানো হচ্ছে, এটা সম্পূর্ণ তৃণমূল কংগ্রেসের বিষয়। রাজীব কুমারের মতো একজন মেধা সম্পন্ন ব্যক্তি। যখন তিনি সব জেনেও দায়িত্ব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আনুগত্য জানাতে পারেন। ইডি-র কাছ থেকে ফাইল ছিনতাইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন, তার পুরস্কার তো পাবেন এটা তো প্রত্যাশিত ছিল। “
ভবানীপুর কেন্দ্রে নাম বাদ গেছে ৪৭ হাজার ১১১ জনের। বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছেন ১৪ হাজার ভোটার। এই অভিযোগের সপক্ষে শমীক ভট্টাচার্য জানান, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিয়ে কাজ করছে না নির্বাচন কমিশন। যা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। পুরো ব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এটা বোঝা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টেরও এরাজ্যের প্রশাসনের ওপর আস্থা নেই। “