দিকে দিকে মিষ্টি, ঝালমুড়ি খেয়ে উদযাপনে মাতলেন বিজেপি সমর্থকেরা।
আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : অঙ্গ-কলিঙ্গের পর বঙ্গ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হল বিজেপির। গেরুয়া আবির মেখে লাড্ডু-মিষ্টি খেয়ে রাস্তায় নেমে উদযাপনে মাতলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা।

২০১১-র পর ২০২৬। ফের পালাবদলের পথে বাংলা। হাওড়ায় নবান্নের সামনে বিজেপির পতাকা নিয়ে উদযাপনে মেতে উঠলেন বিজেপি সমর্থকেরা। কালীঘাটে বিজেপির পতাকা নিয়ে জয়োল্লাসে মাতলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা।

নদিয়া, বসিরহাট, হাওড়া সহ একাধিক জেলায় জেলায় উল্লাসে মেতে উঠলেন বিজেপি সমর্থকেরা। কলকাতায় ৬ নং মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির হেডকোয়ার্টারে ঝালমুড়ি বিলি করে উল্লাসে মাতলেন কর্মী সমর্থকেরা। তার সঙ্গে গেরুয়া আবির মেখে চলল উদযাপন। কলকাতার পাশাপাশি দিল্লিতেও বিজেপির সদর দফতরে ঝালমুড়ি খেয়ে উদযাপনে মাতলেন বিজেপি সমর্থকেরা।

উল্লেখ্য প্রচার চলাকালীন ঝাড়গ্রামে গিয়ে একটি দোকানে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তা নিয়ে অবশ্য সমালোচনা করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। পুরো ঘটনাকে সাজানো বলে কটাক্ষ করেছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেসবকে উপেক্ষা করেছেন রাজ্যবাসী, তা ভোটের ফলেই স্পষ্ট।

সোমবার ভোট গণনার মাঝেই জরুরি বার্তা দেন পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে একটি ফেসবুক ভিডিও শেয়ার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর বার্তা- ‘দয়া করে কাউন্টিং এজেন্ট এবং প্রার্থীরা নিজেদের কেন্দ্র ছেড়ে যাবেন না। স্ট্রং রুম যেখানে গণনা হচ্ছে সে জায়গা ছেড়ে যাবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান। কাল থেকেই বলছি, প্রথম দুই, তিন রাউন্ডে ওদের আগে দেখাবে আমাদেরগুলো পরে দেখাবে।’
তিনি আরও বলেন, অনেক জায়গায় দুই তিন রাউন্ড গণনা করার পরে ১০০টা জায়গায় গণনা বন্ধ করে রেখে দিয়েছে বিজেপি। কল্যাণীতে ৭টা মেশিন ধরা পড়েছে যেখানে কোনো মিল নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে বলপূর্বকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর অত্যাচার করছে বিজেপি, অফিস ভাঙছে, সব দখল করছে। SIR এর নাম ভোট লুট করেছে। ওরা সব মিথ্যে নিউজ খাওয়াচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নিজেদের ইচ্ছে মতো খেলছে। আমাদের পুলিশরা পুরো মাথানত করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে কাজ করছে। তাই সবাইকে বলছি অত মন খারাপ করার কিছু নেই। সূর্যাস্তের পর আপনারা সবাই জিতবেন। ১৮ রাউন্ড পর আপনারা জিতবেন, শুধু অপেক্ষা করুন আর দেখুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করব।’
যদিও তৃণমূল সুপ্রিমোর এই বার্তা সত্বেও অনেক দলীয় এজেন্টই বুথ সূর্যাস্তের আগেই বুথ ছেড়ে দিয়েছেন।