আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন।

মাম্পি রায়, সাংবাদিক : গণনার ট্রেন্ড যত স্পষ্ট হচ্ছে, ততই উল্লাসে মেতে উঠছেন বিজেপি কর্মীরা। দিকে দিকে গেরুয়া আবির মেখে বাজি ফাটিয়ে মিষ্টি খাইয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। তার পাশাপাশি সমান্তরালভাবে চলছে পার্টি অফিস ভাঙচুর, মারধরের ঘটনাও। হিংসার খবর আসতে শুরু করেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন।

নবান্নের সামনে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে পতাকা হাতে কর্মীরা। এর পরেই বাড়ল নিরাপত্তা। সিআইএসএফ আছে। ১ কোম্পানি আধা সেনা দিয়ে ঘিরে ফেলা হল নবান্ন। নবান্ন থেকে কোনও ফাইল নিয়ে কাউকে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ যাতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে না বেরোতে পারেন, সেজন্য কার্যত ব্যাগ খুলে তল্লাশি করা হচ্ছে।

একটি মহলের দাবি, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ – বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে ওই মহলের তরফে দাবি। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

বিজেপির এই অভাবনীয় সাফল্যের ইঙ্গিত পেয়ে কালীঘাটেও রাস্তায় নেমে পড়েছেন বিজেপি সমর্থকেরা। সেখানে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস চরম আকার ধারণ করায় উত্তেজনার পারদ চড়ছে।

যদিও মমতা ও অভিষেকের বাসভবন সবসময় পুলিশি নিরাপত্তায় মোড়া থাকে। তবুও অস্থির পরিস্থিতিতে কমিশন কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা ইতিমধ্যেই সেখানে পাহারায় বসেছেন। কমিশনের এই পদক্ষেপকে নজিরবিহীন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।