পুলিশদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা

সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ, ভিলেজ পুলিশের বেতন বৃদ্ধির বড় ঘোষণা রাজ্য বাজেটে।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : রাজ্য বাজেটে চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী কর্মীদের বেতন কাঠামোয় পরিবর্তনের ঘোষণা। ২০২৬ সালের রাজ্য বাজেট বক্তব্য পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সহ নিচু স্তরের বিভিন্ন কর্মীদের জন্য বড় আর্থিক চমক দিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিপর্যয় মোকাবিলার মতো সরাসরি রাজ্যবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করার কাজে যারা মাঠে নেমে কাজ করেন, তাঁদের দীর্ঘদিন ধরেই বেতন ও নিরাপত্তার কিছু দাবি ছিল।

সরকার সেই দাবিকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে এক ধাক্কায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবীদের পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়ারদের পারিশ্রমিক বাড়তে চলেছে। বিধানসভায় বাজেট পেশকালে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানান, সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসিক বেতন ২ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করার বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সিভিক ভলান্টিয়ারদের পাশাপাশি গ্রিন পুলিশ, ভিলেজ পুলিশ, এনভিএফ বা ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ফোর্স কর্মী এবং হোমগার্ডদেরও বেতন বাড়ছে। এঁদের প্রত্যেকের জন্যই সমহারে মাসিক ২ হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি অনুমোদন করা হয়েছে। আগামী অগাস্ট মাস থেকেই এই বর্ধিত বেতন সরাসরি কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে।

আগামী অগাস্ট থেকে রাজ্যের লক্ষাধিক পুলিশ ভলান্টিয়ার ও কন্টাকচুয়াল স্টাফ এই বাড়তি অর্থ পাবেন। সরকারের এই কল্যাণমুখী সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং কাজের উপযুক্ত সম্মান প্রদানের নীতি আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মসংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

​বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ: মাসিক ২,০০০ টাকা।
​কার্যকর হওয়ার সময়: এই বর্ধিত বেতন আগামী আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
​কারা এই সুবিধা পাবেন: সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ এবং ভিলেজ পুলিশ ছাড়াও একই হারে হোমগার্ড (Home Guard) এবং এনভিএফ (NVF) কর্মীদের পারিশ্রমিকও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
​অন্যান্য সুবিধা: কর্তব্যরত অবস্থায় যদি কোনো সিভিক ভলান্টিয়ার বা এই পর্যায়ের কর্মীর মৃত্যু হয়, তবে তাঁদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে।
​এই পদক্ষেপটি নির্বাচনের আগে করা প্রতিশ্রুতি পূরণের একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত এই কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।