“মিথ্যা মামলা করে লালঝান্ডাকে শেষ করতে পারবে না বিজেপি।”

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্যে তৃণমূল সরকার যেমন মিথ্যা মামলা করেছে সিপিএমের বিরুদ্ধে, বিজেপি সরকারও একই ভাবে মিথ্যা মামলা করছে সিপিএম নেতাদের বিরুদ্ধে। তবে মিথ্যা মামলা করে সিপিএমের লাল ঝান্ডাকে শেষ করতে মমতা পারেনি, শুভেন্দুও পারবে না। মমতা ও শুভেন্দু একই গোয়ালের গরু। এভাবেই শনিবার বিকেলে বারুইপুরে সিপিএমের প্রতিবাদ মিছিল থেকে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। একই ভাবে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও তোপ দেগেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে।
বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দু সপ্তাহ আগেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পিটিয়ে খুন করা হয়েছে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল নামে এক যুবককে। ঘটনার দিন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। সেই সময় সিপিএম নেতা লাহেক আলি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নাবালিকা হত্যার ন্যায় বিচারের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। সেই লাহেক আলিকেই পুলিশ এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার করে। লাহেককে মিথ্যা মামলায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে বলে এদিন প্রতিবাদ মিছিল করে সিপিএম। বারুইপুর পদ্মপুকুর থেকে রবীন্দ্রভবন পর্যন্ত চলে এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল।
সেই মিছিল শেষে এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে একের পর এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান সেলিম, সুজনরা। এদিনের মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ, রবিন দেব, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা।
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেলিম আরও বলেন, “ বিধানসভায় বড্ড হম্বিতম্বি করছে মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভার নিয়ম মানছেন না। আসলে ছোটবেলায় ওঁর বাপ ঠাকুরদারা ওঁকে কান ধরে সঠিক শিক্ষা দেন নি। আর মমতার কাছে যখন ছিল তখন মমতাও সঠিক শিক্ষা দেয়নি। গুন্ডা দমন আইনের নামে প্রতিবাদীদের দমন করতে চাইছে এই বিজেপি সরকার।”
ধর্মেন্দ্র প্রধানকে জমা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কিন্তু ছাত্র আন্দোলনের পর তাঁকে খরচ করতে হল, বলে এদিন কটাক্ষ করেন সুজন চক্রবর্তীও।