তারাপীঠে পুজো মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

‘তারামায়ের আশীর্বাদেই বাংলায় বিজেপি সরকার’, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : শনিবার বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ‘‘তারা মায়ের আশীর্বাদেই বাংলায় বিজেপি সরকার তৈরি হয়েছে।’’ তাঁর দাবি, মায়ের আশীর্বাদেই রাজ্যে নতুন সরকারের কাজ ভাল ভাবে এগোবে।

এ দিন তারাপীঠে পুজো দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো বটেই, সারা পৃথিবী থেকে হিন্দুরা এখানে আসেন। আমি মায়ের আশীর্বাদ নিতে এসেছি। তাঁর আশীর্বাদেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার তৈরি হয়েছে। সব কিছু ভালো হবে। মায়ের আশীর্বাদ নিয়েই সরকার এখানে কাজ করবে।’’

এর পরেই রাজ্যে ‘জাতীয়তাবাদী ঢেউ’ বইছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘একটা জাতীয়তাবাদী ঢেউ চলছে। এটা সম্পূর্ণ জাতীয়তাবাদী ঢেউ।’’

তারাপীঠের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শক্তিসাধনার যোগ রয়েছে। দশ মহাবিদ্যার দ্বিতীয় দেবী মা তারা। বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে তারাপীঠ শহর। দেশ-বিদেশের বহু পুণ্যার্থী ও সাধকের সমাগম হয় এই তীর্থক্ষেত্রে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বড় জয় পেয়ে রাজ্যে প্রথম বার সরকার গড়েছে বিজেপি। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি পেয়েছে ২০৬টি আসন। পরে ফলতা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনেও জয় পায় তারা। ১৫ বছর রাজ্য শাসন করা তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে যায় ৮০টি আসন। কংগ্রেস ও এজেইউপি দু’টি করে আসন পায়, আর একটিতে জয়ী হয় সিপিএম।

তবে আসন সংখ্যায় বিজেপির বড় জয় হলেও ভোটের ব্যবধান ততটা একতরফা ছিল না। বিজেপির ভোটপ্রাপ্তির হার ৪৫.৮৪ শতাংশ, তৃণমূলের ৪০.৮০ শতাংশ। ২০২১ সালে ৭৭টি আসন জিতে প্রায় ৩৮ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হয়েছিল বিজেপি। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতাতেই পাঁচ বছর পর রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেছে তারা।