মহিলা নেত্রীর পোশাক টেনে হেনস্থার অভিযোগ! তুমুল অশান্তি মুকুন্দপুরে

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক; পুলিশের সামনেই রক্তাক্ত প্রাক্তন আইপিএস। মহিলা নেত্রীর পোশাক টেনে হেনস্থার অভিযোগ। আর মিছিল ঘিরে রীতিমতো রণক্ষেত্র মুকুন্দপুর। কিন্তু ডেপুটেশন দিতে যাওয়া একটি মিছিল কীভাবে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে সংঘর্ষের চেহারা নিল? কারা প্রথম হামলা করল? কেনই বা পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে রক্তাক্ত হলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা হুমায়ুন কবীর? মুকুন্দপুরের এই সংঘর্ষের নেপথ্যে আসলে কী ঘটেছিল?
দিনটা ছিল মঙ্গলবার। বিকেলে পার্টি অফিস দখলমুক্ত করার দাবি তুলে এবং ডেপুটেশন জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি মিছিল বের করে স্থানীয় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। সেখানেই যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা-সহ একাধিক হেভিওয়েট নেতা। ছিলেন উপাসনাও। অভিযোগ, মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি ও কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুকুন্দপুর। দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিজেপির কর্মীরা মদ্যপ অবস্থায় তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এমনকী দলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী সহ অন্যান্য মহিলা কর্মীদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয় প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ও মমতার সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হুমায়ুন কবীরকে। তৃণমূল নেত্রী উপাসনা চৌধুরী বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ডেপুটেশন জমা দিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর করে এবং বাড়িতে আক্রমণ চালায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর জামাকাপড় ও ওড়না টেনে নেওয়া হয়। তৃণমূলের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই তাঁকে এই হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন উপাসনা। যাদবপুর বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেন, সাধারণ মানুষ তারা প্রতিরোধ করছে, করবেই। এই কাজ কেন করবে বিজেপি? বিজেপির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। কারণ শান্ত যাদবপুর পছন্দ হচ্ছে না। উত্তাল করতে হবে। এটা তো মিলিত। সামনে তৃণমূল। পিছনে সিপিএম। দাবি শর্বরীর।