মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই সরব সিপিআইএম, ‘সরকারের রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না’, দাবি মুস্তাফিজুর রহমানের

সুস্মিত মজুমদার, নিজস্ব সংবাদদাতা :মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই সরব সিপিআইএম, ‘সরকারের রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না’, দাবি মুস্তাফিজুর রহমানের।সনাতনী দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজনৈতিক দলের বইয়ের স্টল বসানো নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবারের দুর্গাপুজোর মণ্ডপে রাজনৈতিক দলের বইয়ের স্টল না বসানোর বিষয়ে মন্তব্য করার পরই পাল্টা অবস্থান জানাল সিপিআইএম। বিষয়টি ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিধানসভা চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোমকলের সিপিআইএম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুর্গাপুজোর সময় তাঁরা মণ্ডপে মণ্ডপে বইয়ের স্টল বসাবেন। সরকারের কোনও ‘রক্তচক্ষু’কে তাঁরা ভয় পান না বলেও দাবি করেন তিনি।
সিপিআইএম বিধায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, পুজোর সময়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বই ও সংস্কৃতির প্রসারকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হবে। শুধু রাজনৈতিক প্রচারের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে এবারের বইয়ের স্টলগুলিতে সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট মানুষদেরও উপস্থিত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর সিপিআইএমের রাজনৈতিক বইয়ের স্টলগুলির আকার-আয়তন আগের তুলনায় ছোট রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে সংখ্যার দিক থেকে বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে স্টল দেওয়ার উদ্যোগে কোনও ভাটা পড়বে না বলেই দলীয় সূত্রের ইঙ্গিত।
উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলের বইয়ের স্টল বসানোর দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি রয়েছে বাংলায়। বিভিন্ন সময়ে বামপন্থী দলগুলির পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলও পুজোর মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় বইয়ের স্টলের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক বক্তব্য, সাহিত্য, ইতিহাস ও মতাদর্শভিত্তিক প্রকাশনা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে থাকে।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বই ও সংস্কৃতির প্রসারকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হবে। শুধু রাজনৈতিক প্রচারের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে এবারের বইয়ের স্টলগুলিতে সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট মানুষদেরও উপস্থিত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর সিপিআইএমের রাজনৈতিক বইয়ের স্টলগুলির আকার-আয়তন আগের তুলনায় ছোট রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে সংখ্যার দিক থেকে বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে স্টল দেওয়ার উদ্যোগে কোনও ভাটা পড়বে না বলেই দলীয় সূত্রের ইঙ্গিত।
উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলের বইয়ের স্টল বসানোর দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি রয়েছে বাংলায়। বিভিন্ন সময়ে বামপন্থী দলগুলির পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলও পুজোর মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় বইয়ের স্টলের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক বক্তব্য, সাহিত্য, ইতিহাস ও মতাদর্শভিত্তিক প্রকাশনা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে থাকে।