আন্তর্জাতিক মানের রোপওয়ে পাচ্ছে দার্জিলিং, নেপথ্যে আদানি গ্রুপ

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ দার্জিলিংয়ে একটি আধুনিক ও বিশ্বমানের রোপওয়ে প্রকল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে আদানি গ্রুপ (Adani Group)। পাহাড়ি অঞ্চলে পর্যটন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, যানজট কমানো এবং পর্যটকদের জন্য উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা তৈরির লক্ষ্যেই এই মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
রোপওয়েটির বিশেষত্বঃ রোপওয়েটি সোলার বা গ্রিন এনার্জি দিয়ে চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে পাহাড়ি পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয়। অর্থাৎ এটি হবে সম্পূর্ণ পরিবেশ বান্ধব। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড: আধুনিক সেন্সর, অটোমেটিক ব্রেকিং সিস্টেম এবং আবহাওয়া মনিটরিং সমৃদ্ধ ইউরোপীয় নিরাপত্তা স্ট্যান্ডার্ড বজায় রেখে এটি নির্মিত হবে।
সম্ভাব্য প্রভাব ও সুবিধা:-
পর্যটন উন্নয়নবিশ্বমানের অবকাঠামো তৈরি হওয়ায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বহুগুণ বাড়বে।
যানজট হ্রাসদার্জিলিং শহরের সংকীর্ণ রাস্তায় গাড়ির চাপ কমবে এবং বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা তৈরি হবে।
কর্মসংস্থাননির্মাণ পর্ব থেকে শুরু করে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় তরুণের কর্মসংস্থান হবে।
আদানি গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত সম্ভাব্য রুট নিয়ে প্রাথমিক সমীক্ষা করেছে বলেও জানা যাচ্ছে। তবে সেই সমীক্ষা কোনও সরকারি বরাত নয়। সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিলে প্রথমে বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট, পরিবেশ ও বন সংক্রান্ত অনুমোদন, জমির ব্যবস্থা, পাহাড়ের ভূতাত্ত্বিক স্থিতিশীলতা এবং আর্থিক সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে। তার পরেই দরপত্রের মাধ্যমে নির্মাণকারী সংস্থা বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
কেমন হতে পারে কার্শিয়াং-দার্জিলিং রোপওয়েঃ
প্রস্তাবিত রোপওয়ের সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত নকশা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। নবান্ন সূত্রে বলা হচ্ছে, ব্যবহৃত প্রযুক্তি ও কেবিনের আকারের উপর নির্ভর করে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ থেকে ১,৮০০ যাত্রী পরিবহণ করা সম্ভব হতে পারে।
প্রাথমিক ভাবনায় দিনের বেলায় যাত্রী এবং পর্যটকদের পরিবহণের পাশাপাশি রাতের নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য বহনের ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে। পাহাড়ের হোটেল, দোকান এবং বাজারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রোপওয়ের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া গেলে সড়কের উপর পণ্যবাহী গাড়ির চাপ কমতে পারে।
প্রাথমিক ভাবনায় দিনের বেলায় যাত্রী এবং পর্যটকদের পরিবহণের পাশাপাশি রাতের নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য বহনের ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে। পাহাড়ের হোটেল, দোকান এবং বাজারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রোপওয়ের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া গেলে সড়কের উপর পণ্যবাহী গাড়ির চাপ কমতে পারে।