দিল্লি থেকে লখনউ-পাটনা, জম্মু থেকে কলকাতা, পাঞ্জাব থেকে অসম ও অরুণাচল প্রদেশ থেকে কলকাতা। সর্বত্র জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভে কংগ্রেস।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : ২৬ সেপ্টেম্বর। ডেডলাইন ছিল গতকালই। কিন্তু ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও ইস্তফা দেননি না মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাহলে কি ডেডলাইনকে বুড়ো আঙুল দেখালেন তিনি? নাকি সামনে আরও বড় কোনও রাজনৈতিক চাপ? দুই নির্বাচন কমিশনারের মতামত উড়িয়ে একের পর এক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগকে ঘিরে যখন তুঙ্গে বিতর্ক, তখনই জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে পথে বিরোধীরা। দিল্লি থেকে লখনউ, পাটনা থেকে কলকাতা। বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে একাধিক রাজ্যে। কিন্তু ২৬ সেপ্টেম্বরের সেই ডেডলাইন পেরিয়ে যাওয়ার পর এবার প্রশ্ন একটাই। জ্ঞানেশ কুমার এবার কী করবেন?
দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশির মতামত উড়িয়ে নিজের ইচ্ছামতো একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। সেই খবর ফাঁস হয়ে যেতেই শুরু হয়েছে তোলপাড়। এই ইস্যুতে বিরোধী দলগুলি নেমে পড়েছে রাস্তায়। দিল্লি থেকে লখনউ-পাটনা, জম্মু থেকে কলকাতা, পাঞ্জাব থেকে অসম ও অরুণাচল প্রদেশ থেকে কলকাতা। সর্বত্র জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভে কংগ্রেস। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সোচ্চার বিরোধীরা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর আপত্তি উড়িয়ে দেশের ২৬তম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে জ্ঞানেশ কুমারকে বেছে নিয়েছিলেন মোদি-শাহ । ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়েছিলেন তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে তাঁর মেয়াদ ২০২৯ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে সেই মেয়াদ শেষ হতে এখন অনেক দেরি। তার আগেই তাঁর পদ থেকে সরে যাওয়ার জন্য বাঁধা হয় ডেডলাইন। সেই ডেটটা অন্য এক ২৬ তারিখ। তা হল ২০২৬-র ২৬ সেপ্টেম্বর। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে এই ডেডলাইন বাঁধা হয়।
তবে সেই ডেডলাইন পেরিয়ে গেছে। ইস্তফা দেননি জ্ঞানেশ কুমার। স্নায়ুযুদ্ধের পারদ ক্রমশ চড়ছে। আর দুয়ের মাঝে কার্যত ব্যাপক চাপে মোদি সরকার। এসআইআর নিয়ে দুই কমিশনারের আপত্তি উড়িয়ে সিইসির-র বিরুদ্ধে একতরফা সিদ্ধান্তের অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় ৬০ লক্ষের মধ্যে পরে ৩৫ লক্ষের নাম যোগ করা হয়েছিল। কিন্তু ৩৫ লক্ষের নাম যোগের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করে নির্বাচন কমিশন, আক্রমণ ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাসের।
বাইটঃ সিজেপির 2
বাইটঃ অভিজিৎ
দুমাস আগে জেন জি-ককরোচদের দীর্ঘ আন্দোলনের চাপে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। জে পি নাড্ডা, জিতেন্দ্র সিংয়ের মতো মন্ত্রীদের মাথা নীচু করে মেনে নিতে হয়েছিল জেন-জির যাবতীয় দাবি। সেই দিন কি আবার ফিরে আসছে?