হুমায়ুনের ‘কুম্ভীরাশ্রু’ নিয়ে কটাক্ষ সুকান্তর

হুমায়ুন কবীরের রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া এবং কান্নাকাটি প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন
“হুমায়ুনের কুমিরের কান্না দেখে ৩০%-৭০% এর কথা ভোলা যাবে না!

সুস্মিত মজুমদার, নিজস্ব সংবাদদাতা

সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের উপনির্বাচনে হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এর পরেই তিনি কাঁদো কাঁদো চোখে সাংবাদিকদের সামনে জানিয়ে দেন তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চলেছেন। তিনি আর এই রাজনীতি করবেন না। আর তার এই কাঁদো কাঁদো মুখে রাজনীতি ছাড়ার কথাকে কুমিরের চোখের জল বলে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রসঙ্গত বিজেপির তরফ থেকে পুজোর আগে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে মানুষের সুবিধার্থে। এমনই একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং একাধিক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর দেন ।
হুমায়ুন কবীরের রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া এবং কান্নাকাটি প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন
“হুমায়ুনের কুমিরের কান্না দেখে ৩০%-৭০% এর কথা ভোলা যাবে না!! হুমায়ুন কবীরের মতো মানুষজন অনেক সময় অনেক কথায় কুম্ভীরাশ্রু বা কুমিরের কান্না কাঁদেন। উনি একদিন বলেছিলেন মুসলমানদের নিয়ে উনি নামলে স্যাটা ভাঙা মার দেবেন। ভাগীরথীর জলে কেটে ভাসিয়ে দেবেন বলেছিলেন। সেই সব কথা ভুলে গেলে চলবে না। তখন তো চোখের জল ছিল না ।”

অপরদিকে দিন নানা পাটেকরের আকস্মিক মৃত্যুতেও শোক প্রকাশ করলেন সুকান্ত মজুমদার ।
নানা পাটেকরের আমি খুব ভক্ত ছিলাম।আমি এখনও ওনার সিনেমা দেখি। ওনার প্রয়ানে ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রির বড়ো ক্ষতি হল বলে জানান তিনি। নানা পাটেকারের এই মৃত্যু আর আকস্মিক এবং অত্যন্ত দুঃখজনক। উনার মতো অভিনেতা পাওয়া যায় না আমি নিজেও উনার বড় ফ্যান। হঠাৎ করে উনার চলে যাওয়া ফিল্ম জগতের জন্য বড় ক্ষতি হল বলে জানান সুকান্ত।”

এদিন দিল্লিতে কংগ্রেসের এসআইএন নিয়ে বিরোধিতা প্রসঙ্গকে কটাক্ষ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন আমাদের বিরোধীরা নিজেরাই দেউলিয়া। কংগ্রেসের কেরলে যে সরকার হয়েছে। তারা এসআইআরকে স্বাগত জানাচ্ছে। বলছে এসআইএর হওয়াতে তারা জিতে আসতে পেরেছে। অনেক ভুয়া ভোটার বাতিল হয়েছে। আর অপরদিকে সেই কংগ্রেস দিল্লিতে আন্দোলন বিদ্রোহ করছে। একই বিরোধী দল। অথট দুইরকম কথা বলছে। এর থেকেই বোঝা যায় আমাদের বিরোধীদল কংগ্রেস কতটা দেউলিয়া হয়ে গেছে। দেশে বিরোধীদের আন্দোলন করার অধিকার আছে সেটা তারা করতে পারে কিন্তু কী উদ্দেশ্যে আন্দোলন করছে, কেমন আন্দোলন করছে, সেটা দেখতে হবে। দেশ তথা রাজ্যের মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে, সম্পূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে না। বারবার বলা হচ্ছে এসআইআরে নাম বাদ হয়েছে। কত তার মধ্যে ভুয়ো রয়েছে। সেটা কিছুতেই প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিরোধীরা মিথ্যে কথা বলছে। আবার কোথাও অর্ধসত্য কথা বলছে। যেটা আরও ভয়ংকর।”

এরপরই সুকান্ত বলেন, বিকাশ ভট্টাচার্য যদি এইরকম অভিযোগ তোলেন তাহলে তো ওনার বাড়িতে বোমা পড়ার কথা ছিল। ঋতব্রতর প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন ভারতবর্ষে দলত্যাগ বিরোধী আইন আছে। স্পিকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।