১০ অক্টোবর ভোটচুরির অভিযোগে ফের পথে নামছে সিজেপি। সেই আন্দোলনের আগে দিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রস্থান এবং প্রবেশের পথ বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

ভোটার তালিকায় ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ ঘিরে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি (CJP)। তার আগেই রাজধানীর ৫৭টি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা এবং ট্রেন চলাচলের ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দিল দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার রাত ৯টা থেকে এই বিধিনিষেধ কার্যকর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে দিল্লি পুলিশের প্রস্তাবের ভিত্তিতে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) এই ব্যবস্থা অনুমোদন করেছে বা কার্যকর করেছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
পুলিশের তরফে বৃহস্পতিবার ডিএমআরসিকে পাঠানো একটি চিঠিতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ট্রান্সপোর্ট রেঞ্জের জয়েন্ট কমিশনার ওই চিঠিতে জানিয়েছেন, যন্তর মন্তর-সহ নয়াদিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে। সেই কারণে বিক্ষোভকারীদের ভিড় সংবেদনশীল এলাকাগুলির দিকে এগিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে পুলিশ।
প্রস্তাবিত তালিকায় রয়েছে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, পটেল চক, জনপথ, নয়াদিল্লি, মান্ডি হাউস, আইটিও, সুপ্রিম কোর্ট, ইন্দ্রপ্রস্থ, কাশ্মীরি গেট, করোল বাগ, হৌজ খাস, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, লাজপত নগর, শাহদরা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন। প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগুলি কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার জন্য ডিএমআরসিকে অনুরোধ করেছে পুলিশ।
এ দিকে, আন্দোলনের আগে দেশ জুড়ে একাধিক কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সিজেপি-র প্রধান অভিজিৎ দীপকে। সমাজমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, ১০ অক্টোবরের প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে হাজার হাজার যুবককে আটক করেছে বিজেপি সরকার। তবে এই পদক্ষেপে আন্দোলন থামানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
দীপকে জানিয়েছেন, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে যন্তর মন্তরের উদ্দেশে মিছিল করবেন তিনি। ফলে বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক প্রশাসন।