বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসবের আর মাত্র হাতেগোনা কয়েকটা দিন বাকি। এই মুহূর্তে জোরকদমে চলছে পূজা মন্ডপ এবং প্রতিমা তৈরির কাজ। অন্যদিকে এই পূজায় স্থানীয় রীতি অনুযায়ী অনেকেই বাড়িতে যেমন পূজা করেন তেমনি তাদের বাড়ির ঘরে লাগানো হয় শোলার ফুল। আর সেই শোলার ফুল তৈরির কাজ চলছে এখন জোরকদমে। দুর্গাপুজোর আগে এই মুহূর্তে ধূপগুড়ি ব্লকের পূর্ব শালবাড়ির বাসিন্দা কৈলাশ বর্মনের পরিবারের সদস্যদের হাতে সময় নেই। বাপ-ঠাকুরদার কাছ থেকে শেখা প্রায় ৫০ বছরের পুরনো এই শিল্পই পুজোর মরশুমে তাঁদের এনে দিচ্ছে বাড়তি আয়ের সুযোগ।

সুপ্রিয় বসাক, নিজস্ব সংবাদদাতা
কৈলাশ বর্মন কৃষিকাজ করলেও এই সময় পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে শোলার ফুল বা কদম ফুল তৈরি করছেন। পূজোর প্রায় তিন- চার মাস আগে পাশ্ববর্তী কোচবিহার জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শোলার কাঁচামাল এনে শুরু হয় কাজ। এই মুহূর্তে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে সেই ফুল তৈরির কাজ। ফুলগুলো তৈরি করে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় রেখে দিয়েছেন।প্রতিটি ফুল ২ থেকে ৩ টাকা দরে বিক্রি হয়।জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি ছাড়িয়ে এই ফুল যাচ্ছে অসমেও।

পাইকারি এবং বাজারে নিয়ে গিয়ে এই ফুল বিক্রি করেন কৈলাশ বর্মন। এই এলাকায় একমাত্র কৈলাশ বর্মনের পরিবার এই ফুল তৈরি করে। আর এই ফুল যেহেতু প্রায় প্রতিটি পরিবার কেনে তাই পুজোর মরশুমে এই ফুল বিক্রি করে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বাড়তি আয় করেন কৈলাশ বর্মনের পরিবারের। কৃষিতে পরিশ্রম অনুযায়ী আয় নেই তবে প্রতি বছর পূজার সময় এই ফুল বিক্রি করে বাড়তি উপার্জন করেন তারা।