ট্রাম্পকে হনুমান চালিশা উপহার!

আলোয় আলোর উৎসব দীপাবলি। সেই উৎসবের রেশ এ বার ছড়িয়ে পড়ল আমেরিকার প্রশাসনের অন্দরমহলেও। ওয়াশিংটনের ওভাল অফিস থেকে শুরু করে একাধিক প্রদেশের রাজ্যপালের বাসভবন—সর্বত্রই পালিত হল দীপাবলি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের অবদান এবং ভারত-আমেরিকা বন্ধুত্বের প্রশংসায় সরব হলেন মার্কিন নেতৃত্ব। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে দীপাবলি উদ্‌যাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তাঁর হাতে তুলসীদাসের লেখা ‘হনুমান চালিশা’র একটি কপি তুলে দেন ভারতীয় উদ্যোগপতি বিশাল গোন্ডাল।

সমাজমাধ্যমে সেই বিশেষ মুহূর্তের ছবি ভাগ করে গোন্ডাল জানান, সাহস, ভক্তি ও শক্তির প্রতীক হনুমান চালিশা ট্রাম্পকে উপহার দিতে পেরে তিনি সম্মানিত। প্রদীপ জ্বালানোর সময় ভারত ও আমেরিকার বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হওয়ার প্রার্থনা করেছিলেন বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো, এফবিআই প্রধান কাশ পটেল এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের ডিরেক্টর জয় ভট্টাচার্য-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

শুধু হোয়াইট হাউস নয়, আমেরিকার একাধিক প্রদেশেও দীপাবলি উপলক্ষে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপালেরা। ওয়াশিংটনের রাজ্যপাল বব ফার্গুসন ৮ নভেম্বরকে ‘দীপাবলি, আলোর উৎসব দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। নেব্রাস্কার রাজ্যপাল জিম পিলেন প্রতিবেশীদের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতির সঙ্গে দীপাবলির মূল্যবোধের মিল খুঁজে পেয়েছেন। তাঁর বার্তা, ‘‘কখনও আলো নিভতে দেবেন না।’’

ইডাহোর রাজ্যপাল ব্র্যাড লিটল ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের ব্যবসা, পেশা ও সামাজিক অবদানের প্রশংসা করেছেন। নর্থ ডাকোটা ও মন্টানার রাজ্যপালেরাও ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে হোয়াইট হাউসে দীপাবলি উদ্‌যাপনের সূচনা হয়েছিল। ২০০৯ সালে বারাক ওবামা প্রথম ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রদীপ জ্বালান।