মিছিলে ঝাঁঝ বাড়ালেন সাংবাদিকরা

ডোরিনা ক্রসিংয়ে স্লেগান দিয়ে মিছিল, তারপর লোকসভবনে গিয়ে ডেপুটেশন আক্রান্ত সাংবাদিকদের।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : আমরা কাজ করতে এসেছে, মার খেতে আসিনি। ডোরিনা ক্রসিংয়ের মিছিল থেকে কার্যত এই বার্তাই দিলেন সাংবাদিকরা। ককরোচ এবং বামেদের মিছিলে সাংবাদিকদের নিগ্রকাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার পথে নেমেছিলেন বিভিন্ন সংবাদপত্র, পোর্টাল এবং নিউজ চ্যানেলের সাংবাদিকরা। স্লোগান দিয়ে রাস্তায় বসে গুন্ডামির প্রতিবাদ জানালেন সাংবাদিকরা। অবশেষে লোকসভবনে গিয়ে ডেপুটেশন দিলেন আক্রান্ত সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধিদল। যেখানে ছিলেন আরপ্লাস নিউজের আক্রান্ত সাংবাদিক রিক পুরকায়স্তও।

NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে যে অশান্তির সৃষ্টি হয়েছিল, তার তদন্তে নেমে একের পর এক পদক্ষেপ করছে কলকাতা পুলিশ । ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ১৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে । সোমবার গ্রেফতার হওয়া ১১ জন অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন তদন্তকারীরা ।

ধৃতদের মধ্যে একজন মহম্মদ আফরোজ। মুখ্যমন্ত্রী যে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করেছিলেন, তার একজন হলেন আফরোজ। আবার আফরোজের সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে তাঁর ভিডিও রয়েছে। ফলে তাঁর তৃণমূল যোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এদিকে, কলকাতা পুলিশকে ইমেল করে CJP জানিয়েছে, ধৃতদের কেউই তাদের সঙ্গে যুক্ত নয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, বিক্ষোভ চলাকালীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এলাকায় বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। অভিযোগ, কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া হয়, তাঁদের লক্ষ্য করে বোতল ও জুতো ছুঁড়ে মারা হয়েছিল। লাথি ঘুষি এমনকি লাঠি দিয়েও সাংবাদিকদের পেটায় অভিযুক্তরা। সোমবার তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে নিয়ে যান কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা । সেখানে তাদের ভূমিকা, কে কোথায় ছিল, কীভাবে বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে এবং কীভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে গোটা ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয় । ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই অভিযুক্তদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা ।