Abhishek Banerjee on helicopter: “জেদ থেকে একফোঁটাও সরিনি। যত দেরি হোক, যাবই। ধমকানি, চমকানি, ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত দিয়ে আটকানো যাবে না। মাথা নত করব না।”

মাম্পি রায়, সাংবাদিক : “আমার হেলিকপ্টার সকাল ১১টায় ওড়ার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেয়নি। আমারও ১০ গুণ জেদ”। মঙ্গলবার রামপুরহাটের জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাধা পেলেও সভাস্থলে পৌঁছলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই এই বক্তব্য রাখলেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সকাল ১১টায় আমার হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেওয়া হয়নি। আমারও ১০ গুণ জেদ। আমি মাঝে ভেবেছিলাম, গাড়িতে আসব। ৫ ঘণ্টার রাস্তা। আমি বুদ্ধি খাটিয়ে পাশের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর কপ্টার আনালাম। তারপর তাতে চড়ে এলাম। তাই ২ ঘণ্টা দেরি হল। কিন্তু জেদ থেকে একফোঁটাও সরিনি। যত দেরি হোক, যাবই। ধমকানি, চমকানি, ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত দিয়ে আটকানো যাবে না। মাথা নত করব না।”
লক্ষ্য ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে ‘আবার জিতবে বাংলা’ কর্মসূচির সূচনা করে ফেলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কর্মসূচি নিয়ে জেলায় জেলায় ঘুরছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে রামপুরহাটে সভা করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হতে হল অভিষেককে। অভিষেকের কটাক্ষ, “নির্বাচন শুরু হয়নি, দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। এসআইআরের মধ্যে দিয়ে সবে ভোটের দামামা বেজেছে। তার আগে থেকে বাংলা বিরোধী জমিদারদের চক্রান্ত শুরু হয়েছে।”
বেলা ১২টায় বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে চপারে করে রামপুরহাট উড়ে যাওয়ার কথা ছিল অভিষেকের। কিন্তু তাঁর কপ্টারকে ওড়ার অনুমতি দেয়নি ডিজিসিএ। পরে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কপ্টার আনিয়ে বীরভূমে উড়ে যান অভিষেক।
জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, “বিজেপি যত বেশি এমন করবে, ওদের তত ভোট কমবে। আমরা বলতে চাই, যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা। এর জবাব দিতে হবে চতুর্থবার রাজ্যের ক্ষমতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে আনতে হবে। একুশের ভোটে বীরভূমে ভালো ফল হয়েছিল। কিন্তু এবার বীরভূমে ১১-০ করে দিতে হবে। বিজেপিকে বীরভূমের মাটিতে শূন্য করে দিতে হবে।”