নির্বাচনী বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন অভিষেকের

নির্বাচনী জনাদেশই যদি কারচুপির মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে থাকে, তা হলে সেই জনাদেশের ভিত্তিতে কী ভাবে পূর্ণাঙ্গ সরকার গঠন করা যায়? এই প্রশ্ন তুলে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে সরব হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বর্তমান সরকারকে অন্তর্বর্তী সরকার হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

সুস্মিত মজুমদার, নিজস্ব সংবাদদাতা

নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে অভিষেক লিখেছেন, ‘কী সুবিধাজনক গণতন্ত্র!’ নির্বাচনী জনাদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর বক্তব্য, ভোটের ফল যদি কারচুপির মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে থাকে, তা হলে সেই ফলের ভিত্তিতে গঠিত সরকারকে পূর্ণাঙ্গ সরকার হিসাবে মেনে নেওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা।

অভিষেকের দাবি, এই যুক্তি মেনে নিলে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকারকে অন্তর্বর্তী সরকার হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। শুধু তা-ই নয়, সুপ্রিম কোর্টের কাছে পূর্ববর্তী নির্বাচিত সরকারকে পুনর্বহাল করার নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানিয়েছেন তিনি। আগামী ছ’মাসের মধ্যে নতুন করে নির্বাচন করানোর দাবিও তুলেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।

এর পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে অন্যায় ভাবে বাদ পড়া সমস্ত যোগ্য ভোটারের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনও অসঙ্গতি থাকলে তা উপেক্ষা করে সরকার গঠনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

তৃণমূল নেতার এই অবস্থানের কেন্দ্রে রয়েছে নির্বাচনী জনাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ভোটার তালিকায় যোগ্য নাগরিকদের অধিকার। তাঁর যুক্তি, ভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠলে তার যথাযথ নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায়, নির্বাচনী অসংগতিগুলিকে সুবিধামতো উপেক্ষা করা হচ্ছে বলেই মনে হতে পারে।