অভিনেত্রী স্বপ্না চৌধুরীকে  প্রাণে মারার হমকি !

গ্ল্যামার গার্ল  স্বপ্না ছত্তিশগড়ের কোরবাতে শো করতে যান ১২ই অক্টোবর। রাত ৯ টা নাগাদ শো শুরু হয়। শো এর মধ্যেই হই হট্টগোল বাঁধে।

মৌসুমী সাহা, সাংবাদিক: হরিয়ানভি অভিনেত্রী স্বপ্না চৌধুরীর জনপ্রিয়তা বিনোদন জগতে প্রশ্নাতীত। অভিনয়ের পাশাপাশি বিগ বস সিজন- ১১ এর মতো রিয়েলিটি শো-তে ২০১৭ সালে তাঁর বর্ণময় উপস্থিতি সমালোচকদের নজর কেড়েছে। অনুরাগীর সংখ্যাও বেড়েছে কয়েকগুণ। তাঁর ডান্স পারফরম্যান্স তাঁকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। সমাজমাধ্যমেও খুবই সক্রিয় স্বপ্না। গ্লাম্যার গার্ল  স্বপ্না ছত্তিশগড়ের কোরবাতে শো করতে যান ১২ই অক্টোবর। রাত ৯ টা নাগাদ শো শুরু হয়। শো এর মধ্যেই হই হট্টগোল বাঁধে। কয়েকজন স্বপ্নার কাছে পৌঁছে যায়। প্রবল হই হট্টগোলের জেরে বন্ধ করতে হয় অনুষ্ঠান। গালিগালাজ থেকে শুরু করে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্বপ্না চৌধুরী এবং তাঁর টিমকে রিসর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। রিসর্টে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন স্বপ্না। সেখানেও জনা চারেক তাঁর দরজায় এসে ধাক্কা মারে। আরও কয়েকজনকে ডেকে তাদের নিয়ে একত্রে গালিগালাজ করতে থাকে। এমনকি মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়। কিছু উদ্যোগ নিন আমার প্রাণ পর্যন্ত যেতে পারে। ছত্তিশগড়ের কোরবার পুলিশ থানার উদ্দেশ্যে এই মর্মে চিঠি  লেখেন অভিনেত্রী।

       রিসর্টের ম্যানেজার থানায় আভিযোগ দায়ের করেন। গালিগালাজ এবং মারধরের কথাও জানানো হয়। অভিনেত্রীর একটি অভিযোগনামাও সামনে আসে। সেখানে তিনি লিখিত আকারে জানান যে, যখন তিনি বিশ্রাম নিতে যান, তখন অমিত নবরঙ্গলালা আগরওয়াল, অনিল দ্বিবেদী ,যুগল শর্মা অর সুজল অগ্রবাল নামের ৪জন ছেলে ঘরের দরজায় জোরে জোরে মারতে থাকেন, দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করেন এবং মেরে ফেলার ও হুমকিও দেন। সেই চার জন গ্রুপের অনান্যদেরও গালিগালাজ করেন এবং সেকারণেই স্বপ্নার ঘরের বাইরে লোক জড়ো হয়ে যান। ঠিক সময়মতো পুলিশ এবং রিসর্টের মালিক সাহায্য না করলে, তাদের প্রাণও চলে যেতে পারত। তাই যে চার জনকে ধরা হয়েছে তাদের যেন কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হয়।শুধু তাই নয় হুমকির পাশাপাশি স্বপ্না এবং তাদের টিম থেকে ১০,০০০ টাকা লুটেরও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

             এখানেই শেষ নয় শুধু যে স্বপ্না চৌধুরী অভিযোগ জানিয়েছেন এমনটা নয়, অভিযোগ জানিয়েছেন এক অভিযুক্তও।  তিনি বলেন তাঁরা স্বপ্নাকে অভিনন্দন জানাতে গিয়েছিলেন। রিসর্ট মালিক এবং কর্মচারীরা তাদের বাঁধা দেন এবং মারধর শুরু করেন। তাদের একজনের গলা থেকে সোনার চেনও ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ দু-পক্ষের বক্তব্য শুনে এফআইআর দায়ের করেছে। তদন্ত চলছে তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তদন্তে যে সত্যিকারের দোষী হবে, তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। রিসর্ট মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে স্বপ্না চৌধুরীর অভিযোগ নাকি পাননি পুলিশ অফিসার, এমনই দাবি করেছেন তিনি। তবে প্রশ্ন উঠছে অনুষ্ঠানে শিল্পীর নিরাপত্তা নিয়ে।