ভোটের আবহে এগিয়ে আসছে স্কুলের ছুটি ?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং চৈত্র-বৈশাখী দাবদাহের জোড়া ফলায় স্কুলপড়ুয়াদের নাজেহাল অবস্থা।

​বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা :

১. কেন ছুটি এগিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে?

​কেন্দ্রীয় বাহিনীর অবস্থান: রাজ্যের প্রায় ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্য বহু সরকারি স্কুল ভবন ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো এলাকাগুলোতে যেখানে ভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে, সেখানে পঠনপাঠন চালানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​নির্বাচনের দিনক্ষণ: দুই দফার ভোট ২৩ ও ২৯ এপ্রিল এবং ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ৬ মে হয়ে যাবে। পর্ষদের ক্যালেন্ডারে ১১ মে থেকে ছুটি থাকলেও, মাঝের কয়েক দিনের জন্য স্কুল খোলা কার্যত অনিশ্চিত।

​তীব্র গরম: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিলের শেষ দিকে পারদ আরও চড়তে পারে। অতীতেও আমরা দেখেছি, অতিরিক্ত গরমের কারণে সরকার নির্ধারিত সময়ের আগেই গরমের ছুটি ঘোষণা করেছে।

​২. পর্ষদ ও শিক্ষা দফতরের ভূমিকা

​এখনও পর্যন্ত মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে ছুটি এগিয়ে আনার কোনও অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। তবে নিয়ম অনুযায়ী:

​যেসব স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, সেখানকার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে পঠনপাঠন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

​রাজ্য শিক্ষা দফতর পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে খুব শীঘ্রই কোনো বিশেষ নির্দেশিকা জারি করতে পারে।

​৩. পড়ুয়া ও অভিভাবকদের জন্য করণীয়

​ছুটি যদি সত্যিই মে মাসের আগেই পড়ে যায়, তবে দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকবে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকদের কী করণীয়-

লম্বা ছুটিতে সিলেবাসে পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।  তাই বাড়িতে রুটিন মেনে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া জরুরি।

এই প্রচণ্ড গরমে দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত সরাসরি রোদে না বেরোনোই ভালো। পর্যাপ্ত জল এবং ওআরএস (ORS) সাথে রাখা প্রয়োজন।