Attack at residence of Vladimir Putin: একসঙ্গে ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন দিয়ে হামলার চেষ্টা হয়েছিল। যদিও রুশ সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিটি হামলাকে রুখে দেয়। হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মৌসুমী সাহা, সাংবাদিক: ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শান্তি প্রক্রিয়ার চেষ্টা চলছে রাশিয়া ইউ্রক্রেনের। তারই মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাড়ি লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী ড্রোন হামলা। পুতিনের বাসভবন ক্রেমলিনে হামলার চেষ্টার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল আন্তর্জাতিক মহলে। একটা-দুটো নয়, জানা গেছে একসঙ্গে ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন দিয়ে হামলার চেষ্টা হয়েছিল। যদিও রুশ সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিটি হামলাকে রুখে দিয়েছে। কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেই দাবি ক্রেমলিনের। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে লড়াই অব্যাহত, এদিকে ট্রাম্প রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ থামানোর অবিরাম চেষ্টা করেও এই সংঘর্ষ থামাতে পারেননি। আবার নতুন উদ্যমে যুদ্ধ থামানোর জন্য দু’পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন তিনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকও করেন। পাশাপাশি, রফাসূত্র খুঁজতে ফোনে দফায় দফায় কথা বলেন পুতিনের সঙ্গেও। তারই মধ্যে এ ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এরই সঙ্গে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও, কারণ তিনি পুতিনের ভালো বন্ধু, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চান, মোদীর পরামর্শ, শান্তি নষ্ট হয় এমন কিছু করা উচিত নয় এই মুহুর্তে। এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘রুশ প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার খবরে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন তিনি। কূটনৈতিক প্রচেষ্টাই শত্রুতার অবসান এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ। সংশ্লিষ্ট সকলকে এই প্রচেষ্টায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি, একইসঙ্গে মোদীর পরামর্শ, এই প্রচেষ্টাকে দুর্বল করতে পারে এমন যে কোনও পদক্ষেপ এড়িয়ে চলতে হবে এই সময়ে। অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা এটি।
তবে এর পেছনে রয়েছে অন্য গল্প। কে বা কারা লড়াই বাঁধানোর চেষ্টা করছে আর পুতিনকে যতটা বিব্রত করার চেষ্টা চলছে মোদীকেও কি ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে বা বলা ভালো বিব্রত করার চেষ্টা চলছে ?

পুতিনের বাসভবনে হামলা নিয়ে বলতে গিয়ে আমেরিকার গুপ্তচর সংস্থা সিআইএর পূর্বতন আধিকারিক বলেন ,বিট্রেনের গুপ্তচর সংস্থাএম আই ৬ এর ইশারাতে হয়েছে এই হামলা। কারণ এমআই ৬ এর প্রথম মহিলা চিফ লেস মেট্রোবলি ক্যমেরার সামনে এসে বলেন ,আমরা পুতিনকে বোঝাতে চাই যে ওনার কোন ভুল ধারণা না থাকাই উচিত। কারণ আমরা ইউক্রেনের সাথে আছি এবং নাটো সবসময় ইউক্রেনের সাথেই থাকবে। লেস মেট্রোবলি একজন ইউক্রেনিয়ান।পুতিনকে রীতিমতো ধমকির সুরে তিনি একথা বলেন তাও ১৫ ই ডিসেম্বরে ।আর তার পরেই পুতিনের বাসভবনে এই হামলার ঘটনা।এই ঘটনার পর বলা যায়ই যে নাটো দেশ চায় না যে রাশিয়া ইউক্রেন এর মধ্যে শান্তিচুক্তি হোক। মোদী এবং ট্রাম্প চান দু দেশের লড়াই থামুক। নাটোর জন্য এ লড়াই যে খুব সুবিধার এমনটা নয়। তবে তারা চায় রাশিয়াকে য়ুদ্ধের মাধ্যমে ফাঁসিয়ে রাখতে। জেলেনস্কি তাদের চোখে খুবই বোকা দেশ শাসক তাই নানা কর্মকান্ডের মাধ্যমে জেলেনস্কি কাঁধে ভর করে তারা চাইছে রাশিয়াকে বিব্রত করে রাখতে ।রাশিয়া টাকা ও সৈনিক সব নষ্ট হচ্ছে যুদ্ধের কারণে। না হলে রাশিয়া তার শক্তি অন্যত্র প্রয়োগ করত। দেখা যাচ্ছে যখনই শান্তির প্রসঙ্গ আসে তখনই নাটো দেশ এরকম ঘটনা ঘটায়। শুধু তাই নয় এই একই ঘটনা মোদীর সাথেও করছে নাটো ,আর তাই পাকিস্থান, বাংলাদেশ এমনকি চীনের সাথেও সম্পর্ক খারাপ করার চেষ্টা চলছে । একবার ভাবুন ভারতের চারদিক যদি শান্ত হতো তবে ভরত আরো এগোতে পারত। ভারতের শক্তিকে ভয় পায় তাই তারা ভারতকে ফাসিয়ে রাখার চেষ্টা বা বলা ভালো বিব্রত করার চেষ্টা ।