জাতীয় ক্রীড়া আইন ইস্যুতে সোজাসাপ্টা বিসিসিআই।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : বিসিসিআই (BCCI) বা ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের জাতীয় ক্রীড়া আইন (National Sports Code) মানা নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক নতুন নয়। এই ইস্যুতে বোর্ডের অবস্থান সর্বদা পরিষ্কার ও স্পষ্ট।
বোর্ড সূত্রে বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরা প্রধান বক্তব্য ও যুক্তিগুলো হলো:
আর্থিক স্বাবলম্বিতা: বিসিসিআই ভারতের অন্য ক্রীড়া সংস্থাগুলোর মতো সরকারি অনুদান বা সহায়তার ওপর নির্ভর করে না। কেন্দ্রীয় সরকারের স্পোর্টস ফান্ড বা বাজেট থেকে বোর্ড কোনো টাকা বা আর্থিক অনুদান নেয় না।
বিপুল কর প্রদান: কোনো সরকারি সাহায্য না নিয়ে উল্টে বিসিসিআই প্রতি বছর ভারত সরকারকে বিশাল অঙ্কের আয়কর (Income Tax) ও অন্যান্য রাজস্ব বা ট্যাক্স প্রদান করে, যা বিভিন্ন বছরে প্রায় ২,০০০ থেকে ৩,০০০ কোটি টাকা বা তারও বেশি হয়ে থাকে।
স্বায়ত্তশাসন ও বিসিসিআই-এর অবস্থান: বিসিসিআই একটি স্বায়ত্তশাসিত ও নিবন্ধিত ট্রাস্ট/সোসাইটি। যেহেতু তারা জাতীয় কোষাগার বা পাবলিক ফান্ড থেকে টাকা নেয় না, তাই সাধারণ ক্রীড়া সংস্থাগুলোর জন্য প্রণীত সমস্ত সরকারি নিয়ম বা কঠোর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ তাদের ওপর একইভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয় বলে বোর্ড মনে করে।
বোর্ডের কর্তাদের সাফ বক্তব্য—তারা কেবল ভারতীয় ক্রিকেটের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচালনাই করে না, বরং দেশের অর্থনীতিতেও আয়করের মাধ্যমে বড় ভূমিকা রাখে।