ওয়েব ডেস্ক: প্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতা উল্টাতে না উল্টাতেই ধর্ষণের খবর চোখে পড়টা যেন একটা নিত্য ঘটনার আওতায় পড়ছে। রোজ ডাল-ভাত খাওয়ার মতোই যেন গুরুত্ব এই ঘটনাগুলিরও।
যদিও সেটা হওয়াটা একটি নিন্দনীয় ঘটনা। কিন্তু এরকম একটি সমাজে যদি মানুষ ববাস করে যেখানে সমস্ত বিপদে রক্ষাকারী ও সমাজের একটি শক্ত আশ্রয় পুলিশের কাছ থেকেই শুনতে হয়, “সমাজে এখন মেয়েদের স্কুলে যাওয়া, পড়াশুনা করা ও স্বতন্ত্রভাবে এগিয়ে যাওয়াই ধর্ষণ ও অপহরণের কারণ”,

তাহলে সেই সমাজের বুকে দাঁড়িয়ে কার কাছে সাহায্য চাইবে সাধারণ মানুষ? মধ্যপ্রদেশের কিছুদিন আগে একটি ৮ বছরের মেয়ে বাড়ি থেকে বেরোয়ে পাড়ার দোকান থেকে কিছু কিনতে যাওয়ার জন্য। কিন্তু অনেক্ষণ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও যখন মেয়েটি পেরে না, তখন পরিবারের লোকেরা আশেপাশে খোজ করে। সেকানেও না পেয়ে দারস্ত হয় পুলিশের। কিছু ঘন্টা পরে বালিকাটির দেহ মেলে ভোপালের কমলা নগরে।

পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে লেখা ছিল, ধর্ষণের পর গলা টিপে মেরে ফেলা হয়েছে তাকে। এরকম পর পর অনেক ঘটনারই সম্মুখিন হয় মধ্যপ্রদেশ। সেই কারণেই একটি সংবাদপত্রের সঙ্গে বৈঠক ডাকে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ।
#WATCH MP DGP,VK Singh,"Ek naya trend IPC 363 ke roop mein dikha hai. Ladkiyaan swatantra zada ho rahi hain,aaj ke samaj mein ladkiyon ki badhti swatantrata ek tathya hai.Aise cases mein increase hua hai jismein wo ghar se chali jati hain aur report hoti hai kidnapping ki" (4Jul) pic.twitter.com/M42uCRquM1
— ANI (@ANI) July 7, 2019
সেখানেই ডি.জি.পি. ভিকে সিং বলেন, ” আই.সি.পি. 363 একন একটি ট্রেন্ড হয়ে দাঁডিয়েছে। মেয়েরা স্বতন্ত্র হচ্ছে। তবে তারা যত স্বাধীন হচ্ছে ততই অপহরণের মতন অপরাধ বাড়ছে। স্কুল, কলেজ, রাস্ত-ঘাটে ভিন্ন লোকদের সাথে মিশছে, তাতে হচ্ছে বিপদ।

অনেক সময় মেয়েরা নিজের ইচ্ছায়ও চলে যায়, ও পরে রিপোর্ট করা হয় যে অপহরণ করা হয়েছে। বেশিরভাগ সময়ই অসুবিধাগুলো হয় যখন তারা ঘর থেকে বাইরে বেরোয়”। এই মন্তব্য ঝড় তোলে সারা ভারতে।
তাঁর কথার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু না বললেও মধ্যপ্রদেশের সেল হেড শোভা ওজা বলেন, মেয়েদের উপর অত্যাচার কোনোভাবেই সঠিক নয়। তাই এরপর থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে”।