চোরবাগানে আহতদের বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তর নিয়ে তরজা যেন থামছে না। ঘটনার দিন সাংবাদিক সম্মেলনে যে জুনিয়র চিকিৎসকরা প্রশ্ন তুলেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক
মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর থেকে চিকিৎসকমহলে বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে ডব্লবিজেডিএফ সংগঠনের পক্ষ থেকে এবার এক অন্য বিষয় সামনে তুলে ধরা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামো নিয়ে বলতে গিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ওষুধ থেকে চিকিৎসা সামগ্রী অপ্রতুলতা রয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ তোলা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ওই চিকিৎসক সংগঠনটি।

জুনিয়র চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নেতার মতো বক্তব্য পেশ মন্তব্য নিয়ে বেজায় চটেছেন বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠন। মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে তাঁরাও বার্তা দিয়েছেন প্রশাসনকে। চিকিৎসকরা তাঁদের সমস্যার কথা জানাবেন কোথায়। জানাতে গেলে নেতার তকমা দেওয়া হবে কেন প্রশ্ন তুলেছেন সংগঠনের সিনিয়র চিকিৎসকরা।
সিনিয়র চিকিৎসকদের দাবি,সরকারি হাসপাতালে আন্দোলনের মাধ্যমেই পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়ে এসেছে। সেই আশির দশক থেকে এই রীতি চলে আসছে এখনও জুনিয়র চিকিৎসকরা তা মেনেই আন্দোলন করেন। অর্থাৎ জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন ও প্রতিবাদ দোষের কিছুই নয় বলেই মন্তব্য সিনিয়র চিকিৎসকদের।
একদিকে আরজিকরকাণ্ড নিয়ে এখনও বিতর্ক থামেনি তার উপর যুক্ত হল চোরবাগানকাণ্ড। একাধিক চিকিৎসক সংগঠনের দাবি জুনিয়র চিকিৎসদের কেন টার্গেট করা হচ্ছে। চোরবাগানকাণ্ডে যেভাবে ওই জুনিয়র চিকিৎসক প্রশ্ন তুলেছিলেন তারপর থেকেই সোশ্যাল মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে নানা খবর করা হচ্ছে ট্রোল করা হচ্ছে। তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক সংগঠনের সদস্যরা।
সরকারি হাসপাতালে রেফার তরজা চিরদিনের। নতুন সরকার আসার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় কড়া হাতেই এই রোগের ওষুধ খোঁজার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন হাসপাতালে তাঁর ভিজিটকে সাধারণ মানুষ স্বাগতও জানিয়েছিল। কারণ সাধারণ পরিবারের রোগীরা চায় সরকারি হাসপাতালে সুব্যবস্থা পেতে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাই হেডস্যারের ভূমিকায় দেখে খুশি হয়েছিল সকলেই। কিন্তু চিকিৎসক মহলের দাবি রেফার রোগ সারেনি। পরিকাঠামোয় এখনও বিস্তর গলদ রয়েছে। এখন দেখার চিকিৎসকমহলের এই প্রশ্নের উত্তর কী দেয় স্বাস্থ্যভবন