মেগা সুযোগ চালু হতেই কলকাতা থেকে ‘ছক্কার পর ছক্কা’! মোদী ম্যাজিকে কুপোকাত ব্রিটিশ বাজার।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : লন্ডনে বাংলার/ভারতের বাণিজ্যিক পদচিহ্ন
বর্তমানে যুক্তরাজ্য ও ভারতের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement – FTA) নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আলোচনা চলছে। এই ধরনের চুক্তি সম্পন্ন হলে বা নতুন কোনো বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলে:
কলকাতা ও বাংলার ভূমিকা: কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিশাল দক্ষ জনশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি (IT) খাত এবং ম্যানুফ্যাকচারিং হাবগুলো ব্রিটিশ বাজারের জন্য নতুন গন্তব্য হতে পারে। বিশেষ করে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং ডিজিটাল পরিষেবায় বাংলার সংস্থাগুলোর জন্য লন্ডনের মতো একটি বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করা বড় সাফল্যের বিষয়।
মোদী ম্যাজিক ও কূটনীতি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন ভারত সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ব্রিটেন এবং ভারতের মধ্যে যে বাণিজ্যিক সেতুবন্ধন তৈরি হচ্ছে, তা সরাসরি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। ব্রিটিশ বাজারে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়লে তা স্বাভাবিকভাবেই ভারতের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।

এই আলোচনার প্রেক্ষাপটে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:
১. বিনিয়োগ প্রবাহ: সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধি পেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
২. বাজার সম্প্রসারণ: ভারতীয় ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME) গুলো আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে।
৩. ডিজিটাল কানেক্টিভিটি: ফিনটেক (FinTech) এবং এআই (AI) প্রযুক্তিতে কলকাতা এখন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের রাডারে থাকছে, যা লন্ডনের মতো ফিন্যান্সিয়াল হাবের সাথে গাঁটছড়া বাঁধার জন্য আদর্শ।
আন্তর্জাতিক স্তরে বাংলার নিজস্ব ঘরোয়া পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল।
জানা গেছে, এয়ার কার্গোর মাধ্যমে পাঠানো প্রথম চালানে পশ্চিমবঙ্গের একগুচ্ছ ঐতিহ্যবাহী, বৈচিত্র্যময় এবং সম্পূর্ণ খাঁটি মাটির সামগ্রী স্থান পেয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো বাংলার সুস্বাদু আম, কাঁঠাল, ওষধি গুণসম্পন্ন কচু এবং সতেজ পান পাতা। একই সঙ্গে এই চালানের হাত ধরে বিলেতের বাজারে পৌঁছে গেছে এরাজ্যের অহংকার বিশ্ববিখ্যাত দার্জিলিং চাও। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রান্তিক চাষীদের উৎপাদিত এই সমস্ত কৃষিপণ্য সরাসরি লন্ডনের বাজারে স্থান পাওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড়সড় জোয়ার আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুদ্ধিজীবীদের মতে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জেরে শুল্কহীন বা নামমাত্র শুল্কে এই রফতানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় আগামী দিনে রাজ্যের রত্ন ও গয়না শিল্পের (Gems and Jewellery Industry) সঙ্গে যুক্ত কয়েক লক্ষ কারিগরের কর্মসংস্থান ও ব্যবসার ক্ষেত্রে এক বিশাল ও যুগান্তকারী সুযোগ তৈরি হবে।