প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন মগরাহাট (পশ্চিম) বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার আয়েশা খাতুন।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : ভোটকেন্দ্র মগরাহাট (পশ্চিম) বিধানসভা কেন্দ্রের নাজরা এফ পি স্কুল। এখানে ১২৬ ও ১২৭ নম্বরের দুটি বুথ। ১২৬ নম্বর বুথে মোট ভোটার ১০৪৯ জন। ১২৭ নম্বর বুথে মোট ভোটার ১০১৯ জন। ১২৬ নম্বর বুথে পুরুষ ভোটার ৫৪৪ জন ও মহিলা ভোটার ৪৯৮ জন। ১২৭ নম্বর বুথে পুরুষ ভোটার ৫৪৩ জন ও মহিলা ভোটার ৪৭৬ জন। পুনর্নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই ভোটারদের লম্বা লাইন দুটি বুথেই। ভাইজির কাঁধে চড়ে ভোট দিতে আসা আয়েশা জানায় প্রথম দিন ভোট দিয়েছি নিরিবিলিতে, শান্তিতেই। এখানে কোন গন্ডগোলই হয়নি। তা সত্ত্বেও কেন দ্বিতীয়বার ভোট দিতে হচ্ছে বুঝতে পারলাম না। এ হয়রানি ছাড়া আর কিছুই নয়। বারবার এভাবে ভোট দিতে আসতে বেশ কষ্টই হয়। আজও কষ্ট হয়েছে খুব। কিন্তু ভোটাধিকার যে প্রয়োগ করতেই হবে, তাই আসা। আয়েশার মতোই এদিন নাজরা এফ পি স্কুলে ভোট দিতে এসেছিলেন আকলিমা খাতুন, ৮০ বছরের অমরনাথ মন্ডল, এবং অশীতিপর দম্পতি পীর আলী লস্কর ও নুরজাহান বিবিও একই কথা বলেন। তাঁরা বলেন, “প্রথম দিন কোনও গন্ডগোল ছাড়াই ভোট দিয়েছি। তা সত্ত্বেও দ্বিতীয়বার ভোট দিতে আসার এই হয়রানি কিছুতেই মানতে পারছি না। জানিনা কেন এই দ্বিতীয়বার ভোট দিতে হচ্ছে।”
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ এপ্রিলের ভোটে ১২৭ নম্বর বুথে ইভিএমে টেপ মারা ছিল। ১২৬ ও ১২৭ নম্বর বুথ পাশাপাশি হওয়ায় তাই ২ মে ফের ভোট হচ্ছে। বুথ দু’টিতে দুপুর পর্যন্ত ভোট শান্তিতেই কেটেছে।