জলপাইগুড়িতে জেলা শাসকের দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন নতুন জেলা শাসক রবি প্রকাশ মিনা।

সুপ্রিয় বসাক, নিজস্ব সংবাদদাতা : দায়িত্ব নিয়েই সাংবাদিক সম্মেলন জেলাশাসকের। নির্বাচন ঘোষণা মাত্রই জলপাইগুড়ি জেলাশাসকের রদবদল এবং নতুন জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন রবি প্রকাশ মিনা। সোমবার দুপুর নাগাদ জলপাইগুড়ি জেলা শাসকের দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন নতুন জেলা শাসক রবি প্রকাশ মিনা। নির্বাচনকে ঘিরে জেলা প্রশাসন কি কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং কোথায় কোথায় ভোট গ্রহণ কেন্দ্র বা কোথায় ভোট গণনা কেন্দ্র সে বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানালেন। জলপাইগুড়ি জেলায় একটি সাধারণ আসন, চারটি তপশিলি জাতি, দুইটি তফশিলি উপজাতি বিধানসভা আসন রয়েছে। জেলা জুড়ে মোট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯২৮ এবং ভোটগ্রহণ চত্বর ১৩৮৯ যার মধ্যে একটি বুথ বিশিষ্ট ভোট গ্রহণ কেন্দ্র সংখ্যা ৯৯৮, দুইটি বুথ বিশিষ্ট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩০৯, তিনটি বুথ বিশিষ্ট ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৫, চারটি বুথ বিশিষ্ট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৭, এবং ৫ এর বেশি বুথ বিশিষ্ট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ছয়টি। এছাড়াও অক্সিলারি বুথ মোট ১১৩ টি। সাতটি বিধানসভা আসনকে ২২৮ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে যার মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ লক্ষ ৪০ হাজার ৭২২ এ ছাড়াও সার্ভিস ভোটার ৪২২৫। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৮ লক্ষ ৩১ হাজার ৬৮৯ এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ৮ লক্ষ ৯ হাজার ১৪, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে জলপাইগুড়িতে ১৯ জন। জেলাশাসক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আরো বলেন অস্ত্র লাইসেন্স এবং অস্ত্রসহ চলাচল নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া মডিউল কোড অফ কন্ডাক্ট জারি করা হয়েছে জেলার প্রত্যেকটি নাকা পয়েন্ট তল্লাশি চালানো হবে। এফএসটি,ভিএসটি,এসএসটি,ভিভিটি মোতায়েন করা হয়েছে তারা তাদের মত সমগ্র জেলা জুড়ে নজর রাখছেন। জেলার অভিযোগ জানানোর জন্য ডিস্ট্রিক্ট কল সেন্টার নাম্বার ১৯৫০ ২৪ ঘন্টার জন্য খোলা রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে মদের ওপরে নজর রাখা হচ্ছে।জলপাইগুড়ি জেলায় দুইটি ডিসিআরসি করা হয়েছে।১৯ ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি,১৮ রাজগঞ্জ,১৭জলপাইগুড়ি, ১৬ ময়নাগুড়ি, ১৫ ধূপগুড়ির জন্য নর্থবেঙ্গল ইউনিভার্সিটি সেকেন্ড ক্যাম্পাস জলপাইগুড়ি এবং ২০ মালবাজার,২১ নাগরাকাটা জন্য মালবাজার পরিমল মিত্র মহাবিদ্যালয়কে ডিসিআরসি এবং কাউন্টিং সেন্টার করা হয়েছে।