যুদ্ধনীতিকে ঘিরে ‘বিভ্রান্তি তৈরির’ অভিযোগ।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : জেফ্রি এপস্টিন সংক্রান্ত বিপুল নথি প্রকাশের পর আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন ঝড়। এরই মাঝেই বিদেশনীতি ও সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে হোয়াইট হাউসকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিরোধী শিবিরের একাংশের অভিযোগ, এপস্টিন ফাইলকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক চাপ থেকে নজর ঘোরাতেই আন্তর্জাতিক সংঘাতের পথে হাঁটছে প্রশাসন।
সম্প্রতি ‘এপস্টিন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর আওতায় লক্ষ লক্ষ নথি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে অভিযোগ, এখনও বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি আংশিক প্রকাশিত বা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে মার্কিন বিচার দফতরের তরফে। এই অবস্থায় প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট— দুই দলেরই কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা।
এই বিতর্কের মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক উত্তেজনা বেড়েছে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, আন্তর্জাতিক সংঘাতের তীব্রতা বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ বিতর্ককে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য থমাস ম্যাসি সম্প্রতি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মন্তব্য, “পৃথিবীর অন্য প্রান্তে কোনও দেশে বোমা ফেললে এপস্টিন ফাইলের প্রশ্ন মুছে যাবে না।” একই সুরে কথা বলেছেন প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট নেতা রো খান্নাও। তাঁদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন জরুরি। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে আইনসভাকে পাশ কাটানো উচিত নয় বলেও মত তাঁদের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই বিতর্ক আমেরিকার অভ্যন্তরীণ আস্থার সংকটকে সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে এপস্টিন কেলেঙ্কারির তদন্তে স্বচ্ছতার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সামরিক সক্রিয়তা— দুইয়ের সংযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, সদ্য প্রকাশিত কিছু নথিতে এপস্টিনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ইঙ্গিতও মিলেছে। কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, অতীতে তিনি বিদেশি রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি মার্কিন পারমাণবিক নীতি নিয়েও কিছু আলোচনা হয়েছিল, তবে তা আনুষ্ঠানিক ছিল না বলে অভিযোগ। যদিও সেই সব তথ্য এখনও সম্পূর্ণভাবে যাচাই হয়নি।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, আসল প্রশ্ন এখন অন্য জায়গায়। যদি প্রশাসনের বিদেশনীতি সম্পূর্ণভাবে জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন থেকেই পরিচালিত হয়, তবে তা স্পষ্ট ভাবে ব্যাখ্যা করা জরুরি। কারণ রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে সামরিক পদক্ষেপের সময়কাল নিয়েই এখন সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসে আরও তদন্তের দাবি জোরদার হচ্ছে। বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, এপস্টিনের নেটওয়ার্ক এবং সংশ্লিষ্ট নথি সম্পর্কে পূর্ণ সত্য সামনে না এলে বিতর্ক থামবে না।
অনেকের মতে, আন্তর্জাতিক সংঘাতের আবহ তৈরি করে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট ঢাকার চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে বিপজ্জনক হতে পারে। এতে আমেরিকার কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বক্তব্য, শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের সামনে দুটি পথই খোলা— বিদেশনীতি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া অথবা এপস্টিন ফাইল সংক্রান্ত সমস্ত নথি সম্পূর্ণ প্রকাশ করে জনমতের আস্থা ফেরানো। কারণ, যুদ্ধের কুয়াশায় রাজনৈতিক বিতর্ক সাময়িক ভাবে ঢাকা পড়তে পারে, কিন্তু প্রশ্নগুলি থেকে যায়। জেফ্রি এপস্টিন সংক্রান্ত বিপুল নথি প্রকাশের পর আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন ঝড় উঠেছে। সেই ঝড়ের মাঝেই বিদেশনীতি ও সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে হোয়াইট হাউসকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিরোধী শিবিরের একাংশের অভিযোগ, এপস্টিন ফাইলকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক চাপ থেকে নজর ঘোরাতেই আন্তর্জাতিক সংঘাতের পথে হাঁটছে প্রশাসন।
সম্প্রতি ‘এপস্টিন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর আওতায় লক্ষ লক্ষ নথি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে অভিযোগ, এখনও বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি আংশিক প্রকাশিত বা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে মার্কিন বিচার দফতরের তরফে। এই অবস্থায় প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট— দুই দলেরই কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা।
এই বিতর্কের মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক উত্তেজনা বেড়েছে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, আন্তর্জাতিক সংঘাতের তীব্রতা বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ বিতর্ককে আড়ালের চেষ্টা করা হচ্ছে।
রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য থমাস ম্যাসি সম্প্রতি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মন্তব্য, “পৃথিবীর অন্য প্রান্তে কোনও দেশে বোমা ফেললে এপস্টিন ফাইলের প্রশ্ন মুছে যাবে না।” একই সুরে কথা বলেছেন প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট নেতা রো খান্নাও। তাঁদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন জরুরি। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে আইনসভাকে পাশ কাটানো উচিত নয় বলেও মত তাঁদের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই বিতর্ক আমেরিকার অভ্যন্তরীণ আস্থার সংকটকে সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে এপস্টিন কেলেঙ্কারির তদন্তে স্বচ্ছতার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সামরিক সক্রিয়তা— দুইয়ের সংযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, সদ্য প্রকাশিত কিছু নথিতে এপস্টিনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ইঙ্গিতও মিলেছে। কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, অতীতে তিনি বিদেশি রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি মার্কিন পারমাণবিক নীতি নিয়েও কিছু আলোচনা হয়েছিল বলে অভিযোগ। যদিও সেই সব তথ্য এখনও সম্পূর্ণভাবে যাচাই হয়নি।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, আসল প্রশ্ন এখন অন্য জায়গায়। যদি প্রশাসনের বিদেশনীতি সম্পূর্ণভাবে জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন থেকেই পরিচালিত হয়, তবে তা স্পষ্ট ভাবে ব্যাখ্যা করা জরুরি। কারণ রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে সামরিক পদক্ষেপের সময়কাল নিয়েই এখন সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসে আরও তদন্তের দাবি জোরদার হচ্ছে। বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, এপস্টিনের নেটওয়ার্ক এবং সংশ্লিষ্ট নথি সম্পর্কে পূর্ণ সত্য সামনে না এলে বিতর্ক থামবে না।
অনেকের মতে, আন্তর্জাতিক সংঘাতের আবহ তৈরি করে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট ঢাকার চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে বিপজ্জনক হতে পারে। এতে আমেরিকার কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বক্তব্য, শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের সামনে দুটি পথই খোলা— বিদেশনীতি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া অথবা এপস্টিন ফাইল সংক্রান্ত সমস্ত নথি সম্পূর্ণ প্রকাশ করে জনমতের আস্থা ফেরানো। কারণ, যুদ্ধের কুয়াশায় রাজনৈতিক বিতর্ক সাময়িকভাবে ঢাকা পড়লেও প্রশ্নগুলো থেকেই যাচ্ছে।