নদীর চড়ে বাঘের পায়ের তরতাজা ছাপ। প্রকাশ্যে আসতেই উত্তেজনা কুলতলী ব্লকের অন্তর্গত মৈপীঠ বৈকুন্ঠপুরে। ঘটনাস্থলে পুলিশ, বনদফতরের কর্মীরা।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : শীতের মরসুম শুরু হতেই লোকালয়ে বাঘের আতঙ্ক। বাঘের আতঙ্কে ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছে আস্ত একটা গ্রাম। বৃহস্পতিবার সকালে কুলতলী ব্লকের অন্তর্গত মৈপীঠ বৈকুন্ঠপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কিশোরী মোহন এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। ঠাকুরান নদীর চরে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। তারপর তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় গ্রামবাসীদের। গ্রামবাসীরা পৌঁছন নদীর তীরে। তাঁরাও নদীর চড়ে বাঘের পায়ের তরতাজা ছাপ দেখতে পান। বাঘের পায়ের ছাপ দেখে এলাকাবাসীরা বুঝতে পারে এলাকায় বাঘ ঢুকেছে। এরপর এলাকাবাসীরা খবর দেন মেপীঠ উপকূল থানায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় বনদফতরকেও। খবর পেয়ে বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

এবিষয়ে এক গ্রামবাসী জানান, প্রতিবছর শীতের শুরুতে গ্রামের মধ্যে বাঘের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মূলত সুন্দরবনের জঙ্গল লাগোয়া এই গ্রাম। সেই কারণেই কোনও কারণবশত বাঘ আমাদের গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে বাঘের পায়ের ছাপ দেখেছি। বাঘের পায়ের ছাপ দেখে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। এক বনদফতরের আধিকারিক জানান, ওই বাঘের পায়ের ছাপ অনুসন্ধান করে বাঘের গতিবিধি জানার চেষ্টা করছি। বনকর্মীরা এলাকায় বাঘের খোঁজ চালাচ্ছেন। সমস্ত দিক আমরা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মূলত শীতের সময় খাবারের সন্ধানে বাঘ জঙ্গল থেকে উপকূলে হানা দেয়। পরিস্থিতির উপর আমরা নজর রাখছি।