হাসপাতাল চত্বরে রয়েছে একাধিক পানীয় জলের কল। কিন্তু সবকটিই খারাপ। জল পড়ে না একটার থেকেও। এমনই চলছে দিনের পর দিন। অসহায় অবস্থায় রোগী ও রোগীর পরিজনেরা টাকা দিয়ে জল কিনে খাচ্ছেন।

অনুপ চ্যাটার্জি, আরামবাগ- আশেপাশের প্রায় ৫২ টি গ্রামের মানুষের জন্য একমাত্র সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র হলো পুরশুড়া ব্লকের আঁকড়ি শ্রীরামপুর গ্রামীণ হাসপাতাল। পাশাপাশি পুরশুড়া লাগোয়া খানাকুল, তারকেশ্বর ব্লক এমনকি পার্শ্ববর্তী হাওড়া জেলারও অনেক মানুষ চিকিৎসার জন্য ছুটে আসেন এই হাসপাতালে। ফলে একটা বিশাল সংখ্যক মানুষের চিকিৎসা জনিত আশা ভরসার স্থল হলো এই হাসপাতাল। হাসপাতালের আউটডোর পরিষেবা বেশ ভালো, তাই রোগীদের চাপও অনেকটা বেশি। কিন্তু অভিযোগ জরুরী পরিষেবার মান খুব খারাপ। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীকে আরামবাগ মেডিক্যাল এ রেফার করে দেওয়ার রোগ রয়েছে এই হাসপাতালের। কিন্তু রোগী বা রোগীর পরিজনদের অন্যতম বড় অভিযোগ হাসপাতালের পানীয় জল নিয়ে।


২০১৮ সালে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের প্রায় ৬ লক্ষ টাকায় হাসপাতাল চত্বরে একটা জলসত্র তৈরি করে হুগলি জেলা পরিষদ। কিন্তু অভিযোগ, উদ্বোধনের কিছু দিন পর থেকেই সেটা বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। এছাড়া সোলার সিস্টেম চালিত একটা পানীয় জলের কল ছিলো, সেটাও খারাপ হয়ে রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরে যতগুলো টিউবওয়েল রয়েছে তার সবকটিই অকেজো। ফলে এই তীব্র গরমে রোগী থেকে শুরু করে রোগীর পরিজন; সবাইকেই গ্যাঁটের কড়ি খরচ করে জল কিনে খেতে হচ্ছে। একটা গ্রামীণ হাসপাতাল, সেখানে বিনা পয়সায় চিকিৎসা করাতে এসে তেষ্টার জল কিনে খেতে হচ্ছে। পুরশুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অনিশ রঞ্জন মাঝি হাসপাতালের এই সংকট দ্রুত মেটানোর আশ্বাস দিয়েছেন।