Leo Messi: টিকিট কেটেও দেখা গেল না মেসি-শাহরুখদের, ক্ষুব্ধ জনতার ক্ষোভে তছনছ যুবভারতী

মেসি দর্শন ঘিরে চুড়ান্ত বিশৃঙ্খলা

দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। অবশেষে গতকাল রাতেই কলকাতায় এসেছেন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। বিশ্বকাপ হোক বা ক্লাব ফুটবল, মেসিকে টিভির পর্দায় দেখতে রাতভর জেগে থাকেন ফুটবল ভক্তদের একাংশ। সেই মেসি যখন ফুটবল প্রেমে পাগল কলকাতায় আসে, তখন তাঁকে একঝলকের জন্য দেখতে অসংখ্য মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। হাজার হাজার টাকা দিতে যেমন কেউ কার্পণ্য করেননি, তেমনই সববয়সী মানুষজনের ভিড় ছিল গ্যালারির আনাচে কানাচে। এত ভিড় ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানের ম্যাচেও সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায়নি।

মেসির কলকাতা সফরে ছিল যুবভারতীয় স্টেডিয়ামে দর্শকদের সঙ্গে দেখা করা। সূচি অনুযায়ী সকাল ১১টা নাগাদ আসার কথা ছিল মেসির। তবে তার আগেই স্টেডিয়ামের বাইরে ও ভেতরে ভিড় জমিয়েছিলেন অসংখ্য দর্শক। নির্ধারিত সময় থেকে কিছুটা পরেই এলেন ফুটবলের রাজপুত্র। তবে তখন মেসিকে ঘিরে ছিলেন নিরাপত্তা কর্মী, ম্যানেজমেন্ট, ও রাজ্যের আমলা, শাহরুখ খান ও বাংলার তারকা এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরাই ঘিরে রেখেছিলেন মেসিকে।

যার ফলে যারা ভিআইপি গ্যালারির দর্শক ছিলেন তাঁরা তো দেখতে পানইনি, এমনকী সাধারণ দর্শকরাও একচুলও দর্শন পাননি মেসির। এর এতেই ক্ষেপে ওঠেন দর্শকরা। দর্শকদের ক্ষোভ বাড়ছে এই আঁচ পেয়ে ম্যানেজমেন্ট মেসি ও সুয়ারেজদের গ্রিন করিডোর করে স্টেডিয়ামের বাইরে নিয়ে চলে যায়। মেরেকেটে ১০-১৫ মিনিট স্টেডিয়ামে ছিলেন লিও মেসি। ফলে সে চলে যাওয়ার কারণে ঘি পড়ল আগুনে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে ছোড়া হল বোতল, চেয়ার।

উন্মত্ত জনতা মাঠে নেমে পড়লেন। গোলপোস্টের জাল ছিড়ে তাণ্ডব দেখালেন ফুটবলপ্রেমীরা। মাঠে  নেমে চুড়ান্ত বিশৃঙ্খলা দেখালেন অনেকে। ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেন। যদিও ‘বিশ্ব বাংলা’র তথৈবচ অবস্থা ততক্ষণে গোটা বিশ্ব দেখে ফেলেছে। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে রাজ্য সরকারের মিসম্যানেজমেন্টের ছবি। যদিও অন্যদিকে শাহরুখ খান, রাজ চক্রবর্তীর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী শুভশ্রী চট্টোপাধ্যায়ের ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছেন। এমনকী পরোটা বিক্রেতা রাজুদাও মেসির সঙ্গে হাত মিলি প্রিভিলেজ ক্যাটাগরিতে চলে এসেছেন।