হঠাৎ অসুস্থ গোবিন্দা!

বাড়িতেই নাকি মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন গোবিন্দা। তাঁর আপ্তসহায়ক বাড়ির কাছে একটি হাসপাতালে ভর্তি করান অভিনেতাকে। স্বামী যখন অসুস্থ, পাশে দেখা যায়নি স্ত্রী সুনীতা আহুজাকে।


মৌসুমী সাহা, সাংবাদিক: গত মঙ্গলবার সকালে হঠাৎই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গোবিন্দাকে। অভিনেতা নিজের বাড়িতেই নাকি মাথা ঘুরে পড়ে যান। তার পর তাঁর আপ্তসহায়ক বাড়ির কাছের একটি হাসপাতালে ভর্তি করান অভিনেতাকে। স্বামী যখন অসুস্থ, সেই সময়ে পাশে দেখা যায়নি স্ত্রী সুনীতা আহুজাকে। প্রশ্ন উঠছে, কোথায় ছিলেন সুনীতা?গোবিন্দার বয়স বর্তমানে ষাটের কোঠায়। হাসপাতালের তরফে নানা টেষ্ট করানো হয় তাকে।তবে অভিনেতা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে জানিয়েছিলেন, আগামী ছবির জন্য কসরত শুরু করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে শরীরচর্চা করছিলেন। অতিরিক্ত শরীরচর্চা করার কারণেই নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে সবচাইে অবাক হবেন শুনে এতো কিছুর পর নাকি নায়কের এমন অসুস্থতার খবর জানতেনই না স্ত্রী সুনীতা। পরে তার স্ত্রী সুনিতা জানান‘‘হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যখন গোবিন্দ সাক্ষাৎকার দিচ্ছে, তখন টিভি দেখে ওর অসুস্থতার কথা জানতে পারি।’’তবে সুনীতা বলেন, “গোবিন্দা একদম ফিট। নতুন ছবি ‘দুনিয়াদারী’র প্রস্তুতির জন্য তিনি ওয়ার্কআউট করছিলেন, তখনই অজ্ঞান হয়ে যান। আমি শহরের বাইরে ছিলাম, পরে ফিরেই একটি সাক্ষাৎকার দেখে পুরো পরিস্থিতি জানতে পারি।” তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত ব্যায়ামের ক্লান্তির কারণেই গোবিন্দার এই শারীরিক সমস্যা। তবে এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং চিন্তার কোনও কারণ নেই।কিন্তু কেনো সুনিতা কিছু জানতে পারেননি আগে এই নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।


বেশ কয়েকদিনধরেই গুঞ্জনে গোবিন্দা ,সুনীতার সম্পর্ক। এমনকি তারা একই বাড়িতে থাকেন না অনেকদিন ।যদিও সুনিতার দাবি গোবিন্দা বাড়িতেই তার অফিস চালাল ফলে বহু লোকের সমাগম হতে বাড়ীতে এবং সুনিতা ও তাদের সন্তানদের প্রাইভেসি নষ্ট হচ্ছিল ।সুনিতার যুক্তি তিনি গোবিন্দাকে বলেছেন সারা দিন ওই বাড়িতে কাজ করলেও কাজ সেরে রাতে তাদের কাছে চলে আসার পরামর্শ দেন ।এনিয়ে রটে যায় তারা আলাদা থাকছেন । এছাড়া নানা বিষয়ে সুনিতার মন্তব্য তাদের সম্পর্ককে প্রশ্নের মুখে দাড় করিয়েছে অনেকবার।গোবিন্দাকে সাত জন্ম পেতে চান না এক জন্মই যথেষ্ট।আরো ভালো হয় গোবিন্দাকে ছেলে হিসেবে পেলে ।ছেলে হিসেবে ভাই হিসেবে গোবিন্দার তুলনা নেই ,দারুনভাবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি ।পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে করতে নিজের শখ, নিজের ভালোলাগাকে গুরুত্ব দিতে ভুলে গেছেন, রোমান্টিকতো তিনি একেবারেই নন।গোবিন্দার জায়গায় যদি তিনি থকতেন তবে দারুনভাবে লাইফটা উপভোগ করতেন।শুধু তাই নয় গোবিন্দার আসেপাশে বহু লেকের ভিড় যারা তাকে সঠিক পরামর্শদেন না বলে মনে করেন ুসুনিতা কারণ তারা তার ভালো চান না ।যদি তার ভালো চাইতেন তবে তাকে কাজে এগিয়ে যাবার পরামর্শ দিতেন কারণ তার সমসাময়িকরা আবারে কাজে ফিরেছেন তিনি কেন নয়। নাইনটিসের সুপারহিরো গোবিন্দা তার গানে আজও এখনকার বাচ্চারা মেতে ওঠেন তিনি কেনো কাজ করছেন না যানিয়ে আপত্তি তার স্ত্রী সুনিতার।তবে সুনিতার এহেন মন্তব্যে কোন উত্তর দেননি গোবিন্দা ।তবে দিন কয়েক আগে একটি পডকাস্টে সুনীতা রসিকতার ছলে তাঁদের পারিবারিক পুরোহিতকে ‘চোর’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। সে কথা ঘিরে বিতর্ক বাড়তেই গোবিন্দা জোড় হাতে পুরোহিতের কাছে ক্ষমা চান।যদিও সুনীতা স্বামীর এই প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার ঘটনায় অস্বস্তি বোধ করেছেন। তাঁর কথায়, “আমি তো কারও নাম নিইনি। যদি কারও মনে আঘাত লেগে থাকে, আমি ক্ষমা চাইছি। কিন্তু গোবিন্দার তিনজন পুরোহিত—তিনি আলাদা করে কারও নাম নিয়ে ক্ষমা চাইবেন, তা ঠিক নয়।
১৯৮৭ সালে সাতপাকে বাঁধা পড়েন গোবিন্দা এবং সুনীতা। পরের বছরই ১৯৮৮ সালে মেয়ে টিনার জন্ম হয়। পরে তাঁদের সংসারে ছেলে যশবর্ধন আসে। সুনীতা মাঝেমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় সুখী পরিবারের ছবি পোস্ট করেন। তবে গোবিন্দার পায়ে যখন গুলি লাগে,শিল্পা শেঠী মজা করে বলেছিলেন ,সুনিতা ভাবি গুলিটা মারেনিতো তবে এর জবাব দেন সুনিতাও মজা করে তিনিও বলেন এক সাক্ষাতকারে গুলিটা তিনি মারলে বুকেই মারতেন পায়ে না। আর গুলি কান্ডের ঠিক আগেই নাকি সুনীতা আহুজা নিজে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেছিলেন। তাঁদের আইনজীবী ললিত বিন্দাল অবশ্য তাঁদের নিয়ে বরাবর আত্মবিশ্বাসী। বলিউডের ‘হিরো নম্বর ওয়ান’-এর দীর্ঘদিনের পারিবারিক বন্ধুও তিনি। ললিত এক বলিউড সংবাদমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেন যে, “সুনীতা এবং গোবিন্দা ডিভোর্স মামলা দায়ের করেছেন। তবে ওঁদের সম্পর্ক এখনও অটুট। আর ওঁরা একসঙ্গেই আজীবন থাকবেন।” তবে সুনীতার গলাতেও বারবারই শোনা গিয়েছে বিচ্ছেদের উলটো সুর।স্ত্রীকে পাশে নিয়েই গণপতি পুজোর আসরে তার জবাব দিয়েছিলেন গোবিন্দা। এদিকে করবা চৌথে বউকে সোনায় মুড়ে দিয়েছেন গোবিন্দা।

পেল্লাই আকৃতির গয়না পেয়ে বেজায় খুশি হন সুনীতাও। তবে সবের মাঝে নানা বিষয় নিয়ে জল্পনা গুঞ্জন বাড়ছে বই কমছে না।সুনিতা স্পষ্ট কথা মুখের ওপর বলেন বলেকি সমস্যা হচ্ছে যদিও এমনটাই মনে করছেন অনেকেই।এদিকে আরো একটি বলিষয় না উল্লেখ করলেই নয় ২০০৭ সালের ‘পার্টনার’ ছবিতে সালমান খান এবং গোবিন্দার রসায়ন এবং প্রেমের সম্পর্ক এখনও ভক্তদের কাছে প্রশংসিত। কিন্তু মজার বিষয় হল, ‘ বিগ বস ১৯’ -এ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হওয়ার পর, দর্শকরা এখন সালমান এবং গোবিন্দার স্ত্রী সুনীতা আহুজার উষ্ণ এবং কৌতুকপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করছেন। এই বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়ন কি সুপারস্টার এবং সুনীতার মধ্যে ভবিষ্যতের বলিউড সহযোগিতার ইঙ্গিত দিতে পারে?বিগ বস ১৯’-এ সুনিতার অতিথি উপস্থিতি ছিল হাস্যরসে পরিপূর্ণ। তিনি গোবিন্দকে উন্নত করার জন্য সালমানের কাছে পরামর্শ চেয়েছিলেন, তাকে মজার ভঙ্গিতে উত্তেজিত করে বলেছিলেন, “তুমি আমার চেয়ে বেশি জানো। আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করতে এসেছি কীভাবে তোমার সঙ্গীকে উন্নত করতে হয়।” সালমানের মজার জবাব, “শুধুমাত্র একজনই তাকে সংশোধন করতে পারবে।” সুনীতা মজা করে উত্তর দেন, “৪০ বছর হয়ে গেল আমি তাকে সংশোধন করতে পারছি না।
তাইকি হাল ছেড়ে আলাদা হয়ে গিয়েছেন ,কোন বিষয়ে জানতে বা খোজখবর রাখতে অনিচ্ছুক সুনীতা তাদের ভবিয্যত কি তাতো সময়ই বলবে।