শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৪০ তম আবির্ভাব তিথিতে বিপুল ভক্তসমাগম

নদিয়ার মায়াপুর ইসকনে দেশি-বিদেশি ভক্ত সমন্বয়ে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৪০ তম শুভ আবির্ভাব তিথি মহোৎসব পালিত হচ্ছে।

বিশ্বজিৎ দেবনাথ, নিজস্ব সংবাদদাতা : নদিয়ার ইসকন মায়াপুর উৎসব মুখরিত স্থান। সারা বছর একাধিক তিথিতে রীতি রেওয়াজের সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালিত হয়। যার অন্যতম শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৪০তম আবির্ভাব তিথি মহোৎসব। ৩৪ দিন ব্যাপী চলবে এই উৎসব। দেশ-বিদেশের ভক্ত সমন্বয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে এই উৎসব। জানা যায়, যত দিন যাচ্ছে ততই সনাতনী ধর্মের সাথে যুক্ত হচ্ছে বিদেশীরা।

ধর্মীয় স্থান হিসেবে বেছে নিচ্ছে মায়াপুর ইসকনকে। পালন করছে মায়াপুর ইসকনের রীতি রেওয়াজ। শুধু তাই নয়, সনাতনী ধর্মের দীক্ষা নিয়ে গলায় পড়ছে তুলসীর মালা। বিদেশি রেওয়াজ ভুলে গিয়ে সনাতনীর হরিনাম সংকীর্তন করতেও দেখা যাচ্ছে অসংখ্য বিদেশি ভক্তদের। মহাপ্রভুর ৫৪০তম শুভ আবির্ভাব তিথি উৎসবেও মাতোয়ারা হয়ে ওঠে বর্তমান সনাতন ধর্মাবলম্বী বিদেশী ভক্তরা। উল্লেখ্য মায়াপুর ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দিরে প্রতিদিনই নিষ্ঠার সাথে রাধাগোবিন্দের পুজো পাঠ হয়ে থাকে। হরিনাম সংকীর্তনের সাথে নৃত্য করতে থাকে দেশি-বিদেশী ভক্তরা। শীতের মরশুমে ভক্তদের আনাগোনা হয় বেশি। পাশাপাশি পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য স্থান হয়ে থাকে এই মায়াপুর ইসকন।

ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রেও উপার্জনের বর্তমান মূল কেন্দ্রবিন্দু এই মায়াপুর ইসকন। স্বাভাবিকভাবেই যত দিন যাচ্ছে ততই সেজে উঠছে ইসকন। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৪০ তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে ইসকন কর্তৃপক্ষদের কথায়, আগত ভক্ত বৃন্দদের জন্য করা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা, প্রসাদ বিতরণ করা হয় ভক্তদের মধ্যে। শুধু তাই নয় গীতা পাঠ, ভাগবত পাঠ সহ হরিনাম সংকীর্তনের মধ্যে দিয়ে করা হয় নগর পরিক্রমা। এবছর মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথিতেও নতুন রূপে সাজিয়ে তোলা হয়েছে ইসকনকে।