‘যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়ে যায়’ শুভেন্দুর মৃত্যু চেয়ে চরম বিপাকে হুমায়ুন কবির

আর প্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্কঃ বিতর্ক আর হুমায়ুন কবীর সমার্থক শব্দ। এর আগেও নানা সময় নানা মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। কিন্তু এবার যেন সব সীমা ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। এমনটাই মত বিজেপি নেতা মন্ত্রীদের।এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যুকামনা করলেন তিনি।ইতিমধ্যেই বহরমপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জেনে নিন বিস্তারিত।
রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে এ কি হল হুমায়ুন কবীরের। এতদিন তাঁর কাছে ভোটে জেতার ক্ষমতা আছে বলে আস্ফালন করতেন, এখন ঐশ্বরিক শক্তির ক্ষমতার অধিকারী বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন নাকি। সম্মুখ সমরে না পেরে শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু কামনা করছেন তিনি। রবিবার ভরা সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুনের বক্তব্য, ‘‘যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়ে যায়, উপরওয়ালার কাছে দোয়া চাইব। তিনি যেন তাড়াতাড়ি উপরে যাওয়ার টিকিট কেটে দেন। অহংকারের পতন হবে, পৃথিবী থেকে যেতে হবে।” ভোটের আগে আবোল তাবোল বকছেন কেন। নাকি সব বুঝেই ভেসে থাকার চেষ্টা চালাচ্ছেন। কী ঘোঁট পাকছে রেজিনগর উপনির্বাচনে। এর আগেও তো বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন কবীরকে উদ্দেশ্য করে ভরা বিধানসভায় আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
থানায় চক্কর কাটতে কাটতে জুতোর শুকতোলা খুয়ে যাচ্ছে হুমায়ুন কবীরের। কিন্তু হলে কি হুমায়ুন কবীর মচকাবেন তবু ভাঙবেন না। রেজিনগর উপনির্বাচনে শেষ দেখে ছাড়ার কথা বলেছেন হুমায়ুন কবীর। আর সেই শেষ দেখা দেখতেই কি মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করছেন তিনি। সামনা সামনি না পেরে শাপশাপান্ত। একি পাড়ার বিবাদ নাকি। একজন বিধায়ক হয়ে এ কেমন শব্দ প্রয়োগ।
বিতর্ক আর হুমায়ুন কবীর সমার্থক শব্দ। এর আগেও নানা সময় নানা মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। কিন্তু এবার যেন সব সীমা ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। এমনটাই মত বিজেপি নেতা মন্ত্রীদের। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও হুমায়ুন কবীরকে বিঁধতে বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবাদের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন।
এই ধরণের মন্তব্য শুনে অনেকেই বলছেন রাজনীতিতে এমন মন্তব্য নিম্ন রুচির পরিচয় দেয়। একজন জনপ্রতিনিধি যদি এমন শব্দ ব্যবহার করেন তাহলে দলের কর্মী সমর্থকদের কাছে কী বার্তা যাবে। এমনিতেই হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে রেজিনগর উপনির্বাচনে অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। থানায় হাজিরা দিতে হচ্ছে হুমায়ুন কবীরকে। আবারও এই ধরণের মন্তব্য। কী যে লেখা আছে হুমায়ুন কবীরের কপালে। জেলায় জেলায় হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হল বলে। ইতিমধ্যেই বহরমপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হল। অভিযোগ দায়ের করেছে রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া। রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে কি এই ভাবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করে হাওয়া গরম রাখতে চাইছেন হুমায়ুন কবীর? নাকি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করে সংখ্যালঘু ভোটকে হাতে রাখতে চাইছেন তিনি। তবে সেই যাই হোক একজন রাজ্যের সর্বচ্চ পদাধিকারীকে নিয়ে এমন হুমায়ুন কবীরের এমন মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে।