সিপিএমে বড় ভাঙ্গন হাসনাবাদ ব্লকে। আটটি পরিবার তৃণমূলে যোগদান করলেন

শ্যাম বিশ্বাস, নিজস্ব সংবাদদাতা: হাসনাবাদ ব্লক ওয়ান তৃণমূল কংগ্রেসের নব মনোনীত সভাপতি আনন্দ সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই সক্রিয়ভাবে জনসংযোগে মন দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি হাসনাবাদ ব্লকের বরুনহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩৫ নম্বর বুথে শতাধিক দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে উপস্থিত হন। এদিন তিনি বুথের প্রবীণ দলীয় কর্মী ও স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় করেন, তাদের পরামর্শ গ্রহণ করেন এবং শারীরিক খোঁজখবর নেন।উল্লেখযোগ্য যে, জনসংযোগের মধ্য দিয়েই আনন্দ সরকারের নেতৃত্বে সিপিএম থেকে আটটি পরিবার নতুনভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তাদের হাতে তিনি দলীয় পতাকা তুলে দেন। এতে ব্লকের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক বার্তা সৃষ্টি হয়েছে এবং দলীয় শক্তি আরও মজবুত হচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন।এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত স্থানীয়রা নব সভাপতির আন্তরিকতা ও সক্রিয়তার প্রশংসা করেন। আনন্দ সরকার বলেন, “দলের পুরনো কর্মী-সমর্থক এবং নতুন সদস্যরাই আমাদের শক্তি। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ওই ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন আমিরুল ইসলাম গাজী, দল তার ওপরে ভরসা রাখতে পারেনি তার কারণ গত ২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে ওই ব্লকের ভালো রেজাল্ট করে বিরোধী দল হিসাবে বিজেপি। এমন কি হাসনাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপি নিজেদের দখলে পায়। তাই বসিরহাট তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বুরহানুল মুকাদ্দিন দায়িত্ব পাওয়ার পর গোটা বসিরহাট জুড়ে ব্লক সভাপতি দের নিজের আয়ত্তের মধ্যে রাখতে চেয়েছেন” ঠিক সেই মতো ব্লক সভাপতি হওয়ার পরেই একের পর এক বিভিন্ন দল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করতে দেখা যাচ্ছে হাসনাবাদ ব্লকে। ২০২৬-এ বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল জায়গায় ছাড়তে নারাজ তাই বিরোধী দল হিসেবে বিজেপিকে পরাস্ত করতে সুন্দরবনের একাধিক উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে! যাতে করে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের যে দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবে বলে আশা রয়েছে জেলা নেতৃত্বের। অন্যদিকে সিপিএম কংগ্রেস তারা কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না’ সুন্দরবনের উন্নয়ন নিয়ে ২০২২ সালে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের শামসের নগরে একটি সরকারি সভায় এসে ৬০০ কোটি টাকার উন্নয়ন খাতে ঘোষণা করে। সেই কথা মত কাজ আজও ছিটেফোঁটাও দেখা গেল না সুন্দরবনের এলাকায়। এক প্রকার সুন্দরবন মানুষকে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তাই সুন্দরবনের মানুষ তৃণমূল কংগ্রেস থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এই সুন্দরবনে আবার সিপিএম বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।