সাংবাদিক : সুচারু মিত্র
রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা।১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত কলকাতার প্রায় ৭০ শতাংশ অংশে,আর সে কারণেই সকাল বেলাতেই জলমগ্ন কলেজ স্ট্রিট চত্ত্বর, জলমগ্ন সেন্ট্রাল এভিনিউ, জলমগ্ন আর্মার স্ট্রিট , জলমগ্ন ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এলাকা।তবে শুধু উত্তর নয় দক্ষিণে ও বেহালা, এছাড়াও ভবানীপুর, বালিগঞ্জ,ধাপা অঞ্চল কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও কোমর সমান জলের তলায় ছিল।

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কলকাতা পুরসভার ৭২ টি পাম্পিং স্টেশন কাজ শুরু করে দেয়, কিন্তু গঙ্গা বরাবর লগগেট গুলো দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিল। দুপুরের পরেই লগগেট খুলে দিতে কলকাতার জমা অংশের জল নামল ঠিকই,তবে কলকাতা পুরসভাকে ভাবাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস।সেই পূর্বাভাস বলছে গভীর এই নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টিপাত আরও বাড়বে,ফলে আজও যদি বৃষ্টি লাগাতার হতে থাকে ,তাহলে আগামীকাল নতুন করে জলমগ্ন হবে কলকাতার বিস্তৃর্ণ অংশ।তাই কলকাতা পুরসভার নিকাশি দফতরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কেও। সাড়ে চারশো পোর্টেবল পাম্প ইতিমধ্যেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুরসভার তরফে।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক- কলকাতায় কোন এলাকায় কত পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়েছে,
মানিকতলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৯৭ মিলিমিটার। উল্টো ডাঙায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১০১ মিলিমিটার, ঠনঠনিয়াতে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৭৭ মিলিমিটার,বেহালা ফ্লায়িং ক্লাব অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে ৩৫ মিলিমিটার, তপসিয়াতে বৃষ্টি হয়েছে ৭৯ মিলিমিটার, ধাপায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৭ মিলিমিটার, কালিঘাট অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৪৭ মিলিমিটার, বালিগঞ্জে বৃষ্টি হয়েছে ৭০ মিলিমিটার, ১০০ মিলিমিটারের ওপর বৃষ্টিপাত হলেই কলকাতা জলমগ্ন হবে এর আগেও বারবার এ কথা শোনা গেছে কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের মুখে।আর এবার সেই ফিরহাদ হাকিম এবং অন্য দিকে মেয়র পারিষদ নিকাশি তারক সিং নির্দেশ দিলেন নিকাশি দফতরের ইঞ্জিনিয়ারদেরকে সর্তক থাকার জন্য, কারণ আগামী ৪৮ ঘন্টাতেও এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার বার্তা রয়েছে,আর তাতেই পুরসভার কপালে চিন্তার ভাঁজ।