অবৈধ গাছ কাটায় ক্ষোভ এলাকাবাসীদের

বকখালি পর্যটন কেন্দ্রের অদূরে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে চলছে অবৈধ গাছ কাটা, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী।

সুন্দরবনের উপকূল রক্ষাকারী সবুজ বেষ্টনী বিপন্ন — ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসনের।
সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র বকখালি-তে অবাধে কেটে ফেলা হচ্ছে ঝাউ গাছের বিস্তীর্ণ জঙ্গল। অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাব এবং নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়েই এই অবৈধ কার্যকলাপ চলছে দিনের পর দিন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাতের অন্ধকারে কিংবা নির্জন সময়ে সংঘবদ্ধভাবে ঝাউ গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এলাকাবাসীর একাংশের কথায়, “বারবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে খুব শিগগিরই ঝাউবন সম্পূর্ণ উজাড় হয়ে যাবে।”


বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝাউবন শুধু পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো দুর্যোগের সময় প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। এই বন ধ্বংস হলে উপকূলীয় অঞ্চল আরও বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার না করে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং খুব শিগগিরই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বন রক্ষায় বিশেষ নজরদারি এবং টহল বাড়ানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
এখন দেখার, প্রশাসনের এই আশ্বাস বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, নাকি অভিযোগের সুর আরও জোরালো হয়ে ওঠে আগামী দিনে।