নামখানায় পদ্ম-শিবিরে বড়সড় ধস

বিধানসভার আগে নামখানায় পদ্ম-শিবিরে বড়সড় ধস, বকখালীতে ঘাসফুলে যোগ শতাধিক কর্মীর।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ঘর গোছাতে শুরু করল শাসকদল। নামখানা ব্লকের ফ্রেজারগঞ্জ অঞ্চলে আয়োজিত তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী সম্মেলনে বড়সড় ভাঙন ধরল বিজেপি শিবিরে। বকখালীতে আয়োজিত এই সম্মেলনে সাগরের বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার হাত ধরে শতাধিক বিজেপি কর্মী ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখালেন। এদিন নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান মন্ত্রী। বিজেপি ছেড়ে আসা কর্মীদের অভিযোগ, দলে নিষ্ঠার অভাব রয়েছে এবং কর্মীদের মতামতের কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয় না। দলত্যাগীরা আরও জানান: ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি জয়ী হলেও এলাকায় কোনো উন্নয়ন হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই দলবদল।
​”উন্নয়নের শরিক হতেই আমাদের এই সিদ্ধান্ত,” মন্তব্য দলত্যাগী বিজেপি কর্মীদের।
​তৃণমূল প্রার্থী তথা বর্তমান সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী জানান নির্বাচনে হার-জিত রয়েছে ফ্রেজারগঞ্জের মাটিতে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেই জায়গায় আমার এই উপস্থিতিতে বিজেপির যিনি প্রার্থী হয়েছেন সুমন্ত বাবুর বাড়ির যে এলাকা থেকে ১৫ টি পরিবার তারা তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেছে আর বিজেপি প্রার্থী যিনি তিনি সাগরে এসে বলছেন নামখানায় আমি জিতে গেছি আর সাগরের মানুষ আপনারা আমাকে আশীর্বাদ করুন আমি এখান থেকেই বিজয়ের তিলক নিয়ে আপনাদের সেবা করব তিনি বলেন স্বপ্ন দেখা ভালো যে স্বপ্নের বাস্তবায়িত হয় না সে স্বপ্ন না দেখাই ভালো এছাড়াও তিনি বলেন সাগরে এনসিসি কোড না মেনে সাগরে বিজেপি নেতারা মোটরসাইকেলে মিছিল করছেন মানুষের দোরে দোরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
​রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ভাঙন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পদ্ম শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। অন্যদিকে, এই যোগদান উপকূলবর্তী এলাকায় তৃণমূলের হাতকে আরও শক্তিশালী করল। সব মিলিয়ে, ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ার আগেই সাগর বিধানসভা জুড়ে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে।