নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মালদায় তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়াকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়েছিল গোটা গ্রাম। ৩দিন পেরিয়ে গেলেও, তার রেশ কাটছে না। রবিবার রাতে তৃণমূল কর্মী আতিকুল মোমিনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। জানা গিয়েছে, পাশের গ্রাম থেকে বাড়ি ফিরছিলেন আতিকুল, তখনই বাইকআরোহী কয়েকজন দুষ্কৃতী পিছন থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। চিৎকার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আতিকুল। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান স্থানীয়রা । ঘটনায় এবার তৃণমূলের পতাকা হাতে রাস্তায় নামলেন মহিলারা। ইংরেজবাজারের লক্ষীপুর কলোনিতে মিছিল করেন তৃণমূলেরর শতাধিক মহিলা কর্মী সমর্থক। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী আতিমূল মোমিন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় মিথ্যে নাম জড়ানো হচ্ছে আবুল কালাম আজাদ খুনের ঘটনায় ধৃত মাইনুল শেখের ছেলের। রাজনীতির কারণে মাইনুলের ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। এই দাবিতে আজ পথে নামেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। দলীয় পতাকা হাতে তৃণমূলের মহিলা কর্মী সমর্থকদের একাংশ পথে নামার ঘটনায় অস্বস্তিতে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা বলে দাবি বিজেপির।

এদিকে ভাঙড়ে বেধড়ক মারধরে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী। ভাঙড়ের হাতিশালায় তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল আইএসএফের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে হাতিশালা ইনফোসিসের কাছে এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাকে তড়িঘড়ি স্থানীয় জিরেনগাছা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান ভাঙড়ের তৃণমূল নেতৃত্ব। আইএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূল নেতৃত্বের। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আইএসএফ নেতৃত্ব।

কোথাও তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, তো কোথাও বেধড়ক মারধর, অভিযোগের তির বিরোধীদের দিকে, যদিও ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকেই দায়ী করছেন বিরোধীরা।