সান্ধ্যকালীন আউটডোরে উপকৃত বহু

বারুইপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে শুরু সান্ধ্যকালীন আউটডোর, উপকৃত সাধারণ মানুষ।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বারুইপুরে শুরু হল সান্ধ্যকালীন আউটডোর পরিষেবা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর নির্দেশে স্বাস্থ্য দফতর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজ্যের জেলা সদর হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালগুলিতে বিকেল তিনটে থেকে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত আউটডোর চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। সেই নির্দেশ মেনেই পরিষেবা শুরু হয়েছে বারুইপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।
অনেক ক্ষেত্রেই কর্মব্যস্ততার কারণে সকাল দশটা থেকে দুপুর দু’টো পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে রোগীরা চিকিৎসক দেখাতে পারেন না। ফলে চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতে হয় বহু মানুষকে। সেই সমস্যার সমাধান করতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


হাসপাতালের সুপার ডা. ধীরাজ রায় জানান, স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ পাওয়ার পরই দ্রুত সান্ধ্যকালীন আউটডোর চালু করা হয়েছে। বর্তমানে শিশু বিভাগ ও গাইনিক বিভাগে রোগী দেখা শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই অন্যান্য বিভাগও চালু হবে বলে তিনি জানান। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সমন্বয় রেখে পরিষেবা দিচ্ছেন। পর্যাপ্ত ওষুধ মজুত থাকায় রোগীদের ওষুধ পেতেও কোনও অসুবিধা হচ্ছে না।
মঙ্গলবার বিকেলে বিষ্ণুপুর থানার জুলপিয়া, সোনারপুরের মালঞ্চ, জয়নগর ও ক্যানিং-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু মানুষ হাসপাতালে আসেন। শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে সন্তানদের নিয়ে ভিড় দেখা যায়। একইভাবে মহিলারা গাইনিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে আসেন।


জয়নগরের বাসিন্দা প্রীতি হালদার বলেন, “দূর থেকে এসেছি। বিকেলে চিকিৎসক দেখাতে পেরে খুব সুবিধা হয়েছে।” চম্পাহাটির এক অভিভাবক জানান, দুপুরে সন্তানের জ্বর ও বমি শুরু হওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন এবং চিকিৎসা পেয়ে স্বস্তি পান।
সান্ধ্যকালীন আউটডোর চালু হওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ। অনেকেই এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন।