দেশের স্বার্থরক্ষায় কড়া বার্তা মোদীর

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, সন্ত্রাসবাদ বা অন্য কোনও বহিরাগত হুমকির ক্ষেত্রে ভারত এখন আর ‘প্রতিরক্ষামূলক’ অবস্থানে নেই। বরং প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক হতেও দ্বিধা করবে না।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : “ভারতের স্বার্থ রক্ষা বা দেশের মানুষের নিরাপত্তায় কোনো আঘাত এলে ভারত কারো অনুমতির তোয়াক্কা করবো না।” সম্প্রতি বঙ্গে এসে এক জনসভায় ইরানের নাম উল্লেখ করে ভারতের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নরেন্দ্র মোদীর এই বক্তব্য সম্প্রতি রাজনৈতিক মহলে বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে এই কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি।

​​জাতীয় নিরাপত্তা: প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, সন্ত্রাসবাদ বা অন্য কোনও বহিরাগত হুমকির ক্ষেত্রে ভারত এখন আর ‘প্রতিরক্ষামূলক’ অবস্থানে নেই। বরং প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক হতেও দ্বিধা করবে না।

কূটনৈতিক শক্তিমত্তা: বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের খাতিরে ভারত নিজের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনও আপস করবে না। এই বার্তাটি সরাসরি দিয়েছেন তিনি।

বাংলার মাটি থেকে বার্তা: লোকসভা নির্বাচনের আবহে পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে এই ধরনের আন্তর্জাতিক বিষয়ে উল্লেখ করে তিনি মূলত ‘শক্তিশালী নেতৃত্ব’ ও ‘নিরাপদ ভারত’–এর ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

কেন এই হুঙ্কার?
​সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে ভারতের বাণিজ্যিক পথগুলো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত যে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না, সেই সংকেতই দিচ্ছে মোদীর এই হুঙ্কার।

​এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং ‘ঘর মে ঘুস কর মারেঙ্গে’ নীতিকেই ফের প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ।