এসআইআর বৈঠকে একাধিক প্রস্তাব!

এসআইআর নিয়ে বিধানসভা ভিত্তিক সর্বদলীয় বৈঠক বাঁকুড়ার মহকুমা শাসকের দফতরে।  বিএলও নিয়ে একাধিক প্রস্তাব বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের।

মিলন কর্মকার, নিজস্ব সংবাদদাতা:  এসআইআর নিয়ে বিধানসভা ভিত্তিক সর্বদলীয় বৈঠক হয়ে গেল বাঁকুড়ার মহকুমা শাসকের দফতরে। সর্বদলীয় বৈঠকে বিএলও নিয়ে একাধিক প্রস্তাব দিলেন বিরোধী দলগুলির প্রতিনিধিরা। চাওয়া হল ২০০২ সালের ভোটার তালিকাও।

এসআইআর কার্যকর হতেই রাজ্যে প্রশাসনিক স্তরে শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার মহকুমা শাসকের দফতরে এসআইআর নিয়ে বাঁকুড়া বিধানসভার সর্বদলীয় বৈঠক হয়ে গেল। বৈঠকে তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন। বিজেপির তরফে এসআইআরে নিযুক্ত বিএলওদের তালিকা ও তাঁদের সম্পর্কে বিশদে তথ্য চাওয়া হয় প্রশাসনের কাছে। সিপিএমের পক্ষ থেকে ২০০২ এর ভোটার তালিকা রাজনৈতিক দলগুলির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠকে তৃনমূলের তরফে দাবি করা হয়, এই এসআইআরের নামে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না দেওয়া হয়, সে ব্যাপারে বিএলওদের যেন সতর্ক করা হয়।

কারা বিএলও হয়েছেন, আমরা জানি না। সরকারিভাবে আমাদের এটা জানালেই আমরা জানতে পারবো। হাতে তালিকা না পাচ্ছি, তা নিয়ে ধন্দ থেকেই যাচ্ছে। এনুমারেশন ফর্মে মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত করতে হবে। বৈঠকের পর জানালেন বিজেপির প্রতিনিধি সব্যসাচী রায়। তিনি আরও বললেন,

তৃণমূলের প্রতিনিধি জয়দীপ চট্টোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, প্রকৃত ভোটার যারা, তাদের একজনেরও নাম বাদ দেওয়া যাবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্পষ্ট নির্দেশ, প্রত্যোকটি বুথস্তরে প্রত্যেকটা ভোটারের নাম যাকে এই এসআইআর তালিকায় থাকে। সেই দাবিই রেখেছি কমিশনের সামনে। বিএলও হিসেবে নির্বাচন কমিশন কাদের নিয়োগ করবে, সেটা সম্পূর্ণ কমিশনের ব্যাপার। জানালেন তৃণমূলের প্রতিনিধি।

সিপিএমের প্রতিনিধি প্রভাত কুসুম রায় জানাচ্ছেন এই বৈঠকে সমস্তটা আলোচনা হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকাটা খুব জরুরি। তার একটা করে হার্ড কপি দেওয়া হোক, বলে দাবি জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশন যে প্রক্রিয়ার কথা করেছে, তা সঠিকভাবে পালিত হলে আশা করা যায় কোনও ধোঁয়াশা থাকবে না। ২০০২সালের ভোটার লিস্টের হার্ডকপির দাবি জানিয়েছি। বিএলএ-র জন্য অনেক রাজনৈতিক দল নাম জমা দিতে পারেনি, তাদের নাম জমা করার জন্য সময়সীমা ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিএলও এবং বিএলএদের পরিচয়পত্রের দাবি জানিয়েছি, বললেন সিপিএমের প্রতিনিধি প্রভাত কুসুম রায়।