নামমাত্র মাসিক ভাতায় স্কুলে মিড-ডে মিলের রান্নার কাজ করেন। তাই ভাতা বৃদ্ধি, সরকারি কর্মীর স্বীকৃতি, উৎসব অনুদান সহ আরও একাধিক দাবিকে সামনে রেখে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে সামিল হন মিড-ডে মিল রান্নার কর্মীরা। তবে নবান্নের অনেক আগেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ।

নাজিয়া রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধি: মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, ১২ মাসের মজুরি, উৎসব অনুদান, ২৫ জন ছাত্র-ছাত্রী পিছ ন্যূনতম ৩ জন
রন্ধনকর্মী নিয়োগ, অবসরকালীন অনুদান সরকারি স্বীকৃতি ও ন্যূনতম সরকারি মজুরি ছাত্র-ছাত্রীদের মাথাপিছু দৈনিক বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং সরকারি স্কুল বাঁচানোর দাবিতে সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে সামিল হন মিড-ডে মিল রান্নার কর্মীরা। এদিন সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মিছিল করে ধর্মতলা হয়ে নবান্নর দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল কয়েক শো মিড ডে মিল রান্নার কর্মীর। কিন্তু পুলিশ ধর্মতলার কাছে এস এন ব্যানার্জি রোডে আটকে দেয় তাঁদের। এস এন ব্যানার্জি রোডে বসে পড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন মিড-ডে মিল রান্নার কর্মীরা।

দীর্ঘ দিন ধরে মাসিক বেতন তথা ভাতা বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন মিড-ডে মিল রান্নার কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, মিড-ডে মিল রান্নার কর্মীরা মাত্র ২০০০ টাকা করে মাসিক ভাতা পান। তাঁদের দাবি বর্তমানে বাজারদর অনুযায়ী এই ভাতা কমপক্ষে ৯০০০ টাকা করতে হবে। পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য, তাঁদের কোনও উৎসবকালীন ভাতা দেওয়া হয় না। তাই তাঁদের জন্য উৎসবকালীন ভাতা চালু করতে হবে। তাঁরা স্কুলে বারো মাসের রান্নার কর্মী কিন্তু বারো মাস কাজ করে ১০ মাস ভাতা পান, তাই তাঁরা বারো মাসের ভাতার দাবিও তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, পুজোর সময়ে ক্লাবগুলোকে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া যায় অথচ মিড-ডে মিলের কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধি করা যায় না কেন? এই নিয়ে সুর চড়ান কর্মীরা।

মঙ্গলবার বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় কয়েক শো মিড-ডে মিল রান্নার কর্মী এই নবান্ন অভিযানের মিছিলে সামিল হন। মিছিল এসএন ব্যানার্জি হয়ে কলকাতা পুরসভার কাছে এসে পৌঁছালে পুলিশ মিছিল আটকে দেওয়া হয়। এস এন ব্যানার্জি রোডে বসে পড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন মিড-ডে মিল রান্নার কর্মীরা। সেখান থেকে মিড-ডে মিল কর্মীদের ছ’জনের একটি প্রতিনিধি দল নবান্নে ডেপুটেশন জমা দেন।