একদিকে রাজ্যসভায় শপথগ্রহণ করলেন নীতীশ কুমার। মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে কবে ইস্তফা দেবেন ?

মাম্পি রায়,সাংবাদিক: সংসদ ভবনের উচ্চকক্ষে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। এর সঙ্গে সঙ্গেই নতুন রাজনৈতিক পদে চলে এলেন তিনি। উপরাষ্ট্রপতি নীতীশ কুমারকে শপথবাক্য পাঠ করান। এবার প্রশ্ন উঠছে, নীতীশ কুমার কবে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন ? দিল্লি থেকে পটনায় ফিরে ১৪ এপ্রিল ইস্তফা দেবেন তিনি।
ইস্তফার আগে বিধানসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকও করতে পারেন তিনি। সেই বৈঠকেই পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীকে বেছে নেওয়া হবে। ১৫ এপ্রিল বিহারে নতুন সরকার গঠন হতে পারে। এবার কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণের পর বিধানসভা, বিধান পরিষদ, লোকসভা, রাজ্যসভা- মোট ৪ সদনের পঞ্চম নেতা হলেন নীতীশ কুমার। নীতীশ ছাড়া আরজেডির প্রধান লালু প্রসাদ যাদব, রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার প্রধান উপেন্দ্র কুশওয়াহা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নাগমণি এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার মোদী এই ৪ সদনের সদস্য ছিলেন।

আরজেডি জানাচ্ছে, তাদের ভবিষ্যদ্বানী সত্যি হয়েছে
নীতীশ কুমার শপথগ্রহণের পর আরজেডির প্রতিক্রিয়া এসেছে। আরজেডি নেতা শক্তি সিং যাদব এক্সে পোস্ট করে লিখেছেন, বিরোধী নেতা তেজস্বী যাদবের দূরদর্শিতা এবং ভবিষ্যদ্বানী সত্যি হল। ক্ষমতার লোভে সুশাসনের অভিনয়ের স্ক্রিপ্ট তৈরি করা বিজেপি এবং জেডিইউয়ের সদস্যরা বুক চাপড়ে স্লোগান দিচ্ছেন, ২০২৫ থেকে ২০৩০-এ ফের নীতীশ। কিন্তু তেজস্বী জোর গলায় দাবি করেছেন, “থেকে ২০৩০-এ ফের নীতীশ হয়ে যাবে ফিনিশ। আজ বিজেপির ষড়যন্ত্র নিজেদের আসল রূপটা দেখিয়ে দিয়েছে। নীতীশ কুমারের রাজনৈতিক অধ্যায় জোর করে শেষ করে দিচ্ছে। এদের গেম ওভার হয়ে গেছে আর জেডিইউ রসাতলে চলে গেছে। জনতার রায়কে চুরি করে দম্ভপ্রকাশ করলে এই পরিণতিই হয়। বিহারের রাজনীতি থেকে এই সুবিধাবাদীদের দলগুলো নির্মূল হয়ে যাবে, এটা নিশ্চিত। “