এ বার পর্যটনকেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার!

রাজ্যগুলিকে গন্তব্যের নাম পাঠানোর আর্জি বৈষ্ণোর।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : এত দিন সাধারণত হল বা কনফারেন্স রুমেই বসত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসর। এ বার সেই ছবি বদলানোর উদ্যোগ। দেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চায় কেন্দ্র। মঙ্গলবার গুজরাতের কেভাডিয়ার একতা নগরে একটি অনুষ্ঠান উপলক্ষে যাওয়ার পথে এমনই জানালেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

বিশ্বের সর্বোচ্চ সর্দার বল্লভভাই পাটেলের মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’-র ঠিকানাতেই এ বার বসছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসর। অশ্বিনী বৈষ্ণো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবনা থেকেই পুরস্কার অনুষ্ঠানকে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তাঁর কথায়, চলচ্চিত্র জগতের শিল্পী, অভিনেতা, চিত্রগ্রাহক, কলাকুশলী-সহ বহু মানুষের সঙ্গে এই পুরস্কারের যোগ রয়েছে। ফলে অনুষ্ঠানকে পর্যটনকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করলে সেই জায়গার পর্যটনও উপকৃত হতে পারে।

ভবিষ্যতের আয়োজনের জন্য দেশের সমস্ত রাজ্যের কাছে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রের নাম পাঠানোর আর্জিও জানিয়েছেন বৈষ্ণো। শুধু গন্তব্যের নাম নয়, সেখানে কী ধরনের উন্নয়ন করা হবে, সেই পরিকল্পনাও জানাতে বলেছেন তিনি। কোনও পর্যটনকেন্দ্র নির্বাচিত হলে পরবর্তী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অনুষ্ঠান সেখানে আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

এর পাশাপাশি মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়েও অগ্রগতির কথা জানান বৈষ্ণো। তাঁর দাবি, সুরাট থেকে বাপি পর্যন্ত প্রথম অংশের নির্মাণকাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আগামী বছরের এপ্রিল-মে নাগাদ দেশে তৈরি বুলেট ট্রেনকে ট্র্যাকে তুলে পরীক্ষা শুরু করা হতে পারে।

মন্ত্রী বৈষ্ণো জানান, ওই ট্রেনের বডি, বগি এবং প্রপালশন সিস্টেম তৈরি হয়ে গিয়েছে। গাড়ির বডির শক্তি পরীক্ষা চলছে। হুইল, ইলেকট্রনিক্স এবং প্যান্টোগ্রাফ-সহ বিভিন্ন ব্যবস্থার নকশা ও সংযুক্তিকরণের কাজও এগিয়েছে।

বিকেসি-থানে আন্ডারসি টানেল, স্টেশন এবং সেতু নির্মাণের কাজও দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে দাবি করেন রেলমন্ত্রী। ২০২১ সালে শুরু হয়েছিল প্রকল্পের নির্মাণকাজ। কোভিডের ধাক্কা এবং জটিল নকশার কারণে নানা বাধা এলেও আগামী বছর প্রকল্পের উদ্বোধনের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।