শান্তিপূর্ণ সন্ত্রাস হয়েছে রেজিনগরের ভোটে: অধির রঞ্জন চৌধুরী

নন্দিগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের দিন চরম সন্ত্রাসের অভিযোগ তুললেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে রেজিনগর উপনির্বাচন নিয়ে প্রশাসন ও বিরোধীদের একাংশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। নন্দীগ্রামের ভোট লুঠের ধরনের সঙ্গে রেজিনগরের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী ক্ষোভ উগরে তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণ সন্ত্রাস হয়েছে রেজিনগরের ভোটে। নন্দীগ্রামে যা হয়েছে রেজিনগরেও তাই হয়েছে। আমাদের অভিযোগের কোনো ফারাক নেই। নন্দীগ্রামে যে কায়দায় ভোট লুট হচ্ছে, রেজিনগরেও একই কায়দায় ভোট লুঠ হচ্ছে।” তাঁর আরও দাবি কংগ্রেসের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্থানকে শাসক-বিরোধী সকলেই ভয় পাচ্ছেন।

বহু বুথেই কংগ্রেসের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি এছাড়াও প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আরও বলেন “রেজিনগর উপনির্বাচনে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট হচ্ছে। বোমা পড়ছে না, গুলি চলছে না, রক্ত ঝরছে না যেটা দেখতে বাংলার মানুষ অভ্যস্ত।” তাঁর অভিযোগ, পুলিশ সম্পূর্ণভাবে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে এবং তারা বিরোধীদের দমন করতে সরাসরি “বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে”।

এছাড়াও রেজিনগর উপনির্বাচনের ঠিক আগেই আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরের পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং গ্রেফতারি প্রসঙ্গে এক তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দেন অধীর। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “এই গ্রেপ্তারির মধ্য দিয়ে হুমায়ুন কবীরের প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখা হল। হুমায়ুন বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট। ওকে দিয়ে নাটক করাতে হবে, প্রতিবাদ করাতে হবে। দেখাতে হবে হুমায়ুন প্রতিবাদ করতে জানে।”