SIR hearing in Malda : অশীতিপর বৃদ্ধা, পক্ষাঘাতজনির সমস্যায় ভুক্তভোগী মানুষজনকেও এসআইআর শুনানি কেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। মালদায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন !

বিশ্বজিৎ মণ্ডল, নিজস্ব সংবাদদাতা : ৯০ ছুঁই ছুঁই মহিলাকে সশরীরে শুনানি কেন্দ্রে তলব। একইভাবে শুনানিতে হাজির পক্ষাঘাতজনিত সমস্যায় ভোগা মহিলা ভোটার। মালদা জেলা স্কুল শুনানি কেন্দ্রে এমনই ছবি ধরা পড়ল। যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ইতিমধ্যে এই ইস্যু তুলে বীরভূমের সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও বিঁধেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজে প্রশ্ন উঠলেও হেলদোল নেই নির্বাচন কমিশনের। মালদায় হাজির ছিলেন এক পক্ষাঘাতজনিত সমস্যায় ভোগা মহিলা ভোটার। তাঁর ছেলে খোকন দাসের দাবি, বয়স এবং শারীরিক সমস্যা কথা জানানোর পরেও শুনানি থেকে ছাড় দেওয়া হয়নি তাঁর মাকে। এই নিয়ে সরব হয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।

জানা গিয়েছে, মালদা শহরের মনস্কামনাপল্লীর বাসিন্দা মা ঝর্ণা দাস, আর পক্ষাঘাতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত মেয়ে অঞ্জনা দাসকে এদিন মালদা জেলা স্কুলের শুনানি কেন্দ্রে ডাকা হয়। চরম শারীরিক সমস্যার মধ্যেও মা আর বোনকে নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে আসেন খোকন দাস। ক্ষোভ জানিয়ে তিনি বলেন, কয়েকদিন পরেই মা ৯০ বছরে পা দেবেন। দীর্ঘদিন ধরে ভোট দিচ্ছেন। কিন্তু, তা সত্বেও তাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাড়িতে গিয়ে শুনানি না করে, শুনানি কেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হয়েছে।
এভাবে প্রবীণ ভোটারের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে শুনানি না করে কেন শুনানি কেন্দ্রে তলব করা হল, তা নিয়ে ক্ষোভ জানান অনেকেই। এসআইআর শুনানির দুর্দশার ছবি এখানেই শেষ নয়, এদিন মালদা জেলা স্কুল শুনানি কেন্দ্রে দেখা যায় দীর্ঘক্ষণ কোলে বাচ্চা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মহিলারা। অনেক প্রবীণ মানুষও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকেন প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে। শুনানি প্রক্রিয়ায় অব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন একাংশ।