দিল্লিতে রসমালাইয়ে মন মজল ঋষি সুনকের!

দিল্লি সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ। তার পরেই পেটপুজোয় মন দিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। মঙ্গলবার ব্লুমবার্গ নিউ ইকনমি ফোরামে যোগ দিতে রাজধানীতে এসেছিলেন তিনি। মোদীর সঙ্গে দেখা করে জনজীবনে ২৫ বছর পূর্ণ করার জন্য তাঁকে অভিনন্দনও জানান সুনক। তবে দিল্লি এসে শহরের বিখ্যাত খাবারের দোকানে ঢুঁ না মারলে কি চলে? তাই মধ্যাহ্নভোজের পরে শাশুড়ি তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুধা মূর্তিকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে গেলেন বেঙ্গলি সুইট হাউসে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়ালও।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক

সেখানে গিয়ে চাট, লস্যি এবং চায়ের স্বাদ নেন অতিথিরা। তবে সুনকের বিশেষ পছন্দ ছিল ভারতীয় মিষ্টি। দোকানে গিয়ে রসমালাই চেখে দেখেন তিনি। ভারতীয় খাবারের প্রতি তাঁর অনুরাগের কথা অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও দিল্লির এই বিখ্যাত মিষ্টির দোকানে এসেছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

২০২৫ সালে দীপাবলির আগে বেঙ্গলি সুইট হাউসে গিয়েছিলেন সুনক। সে বার দোকানের আলোকসজ্জা ও উৎসবের সাজ তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। বেঙ্গলি সুইট হাউসের অন্যতম কর্ণধার বরজেশ আগরওয়ালের সঙ্গে কথোপকথনে সেই অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন তিনি। ২০২৫ সালের এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিটে দীপাবলি উদ্‌যাপনের প্রসঙ্গে সুনক জানিয়েছিলেন, এই উৎসবে তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ‘মিঠাই’ বা মিষ্টি।

১৯৩৭ সালে দিল্লির বেঙ্গলি মার্কেটে প্রতিষ্ঠিত এই দোকান প্রায় ন’দশক ধরে মিষ্টি ও মুখরোচক খাবারের জন্য পরিচিত। লালা ভীম সাইন, লালা রোহতাশ চাঁদ এবং লালা বানওয়ারি লালের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয়েছিল দোকানটির। চোলে ভাটুরে, পেঁয়াজের কচুরি, জিলিপি এবং রসমালাইয়ের মতো পদ এখানে জনপ্রিয়।

রাজনীতিক থেকে বলিউড তারকা— বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির পা পড়েছে এই দোকানে। এ বার সুনকের সফরও সেই তালিকায় নতুন সংযোজন। মোদীর সঙ্গে বৈঠক থেকে দিল্লির রসমালাই— বিদেশের রাজনীতির ব্যস্ততা সরিয়ে ভারতীয় খাবারের স্বাদে কিছুটা সময় কাটালেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।