গঙ্গাসাগরে রাজকীয় সাগর আরতি

ভক্তি ও আলোর জোয়ারে ভাসলেন গঙ্গাসাগরে আগত পুণ্যার্থীরা।

​বিশ্বজিৎ নস্কর,নিজস্ব সংবাদদাতা: মকর সংক্রান্তির পুণ্যলগ্ন এগিয়ে আসতেই গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে শুরু হল আধ্যাত্মিকতার এক মহাসম্মেলন। কপিল মুনির আশ্রমের সামনে,  দুই নম্বর স্নানঘাটের পাশে ধুমধাম করে শুরু হল বিশেষ সাগর আরতি। ১১, ১২ এবং ১৩ জানুয়ারি— তিন দিনব্যাপী চলবে আরতির বর্ণাঢ্য এই আয়োজন।

​বারাণসীর আদলে সাজিয়ে তোলা হয়েছে সাগরতট। প্রদীপের আলো, ধুনুচির ধোঁয়া আর শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা চত্বর। কয়েক হাজার পুণ্যার্থী আজ সন্ধে থেকেই ভিড় জমিয়েছেন এই মাহেন্দ্রক্ষণ প্রত্যক্ষ করার জন্য। উপস্থিত ছিলেন কপিল মুনির আশ্রমের মহারাজ,  জেলাশাসক অরবিন্দু কুমার মিনা, সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার,  সুন্দরবন পুলিশ জেলার এসপি কোটেশ্বর রাও, জি বি ডি এর চেয়ারম্যান সীমান্ত কুমার মালি, সহ একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। আরতির সময় পুরোহিতদের মন্ত্রোচ্চারণ এবং সাগরের ঢেউয়ের গর্জন মিলেমিশে এক মায়াবী পরিবেশের সৃষ্টি করে তুলছে।

​প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীদের বাড়তি বিনোদন এবং আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা দিতেই প্রতি বছরের মতো এবারও এই বিশাল আয়োজন। সাগর আরতিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার কড়াকড়ির ব্যবস্থা রয়েছে, যা চোখে পড়ার মতো। হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন, তার আগেই আরতিকে ঘিরে সাগরের তীরে উৎসবের মেজাজ তুঙ্গে।